February 2016

ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার-এর ষষ্ঠদশ জাতীয় সম্মেলন-২০১৫ ‘আমাদের আগামী, আমাদের পথ, তারুণ্যের কন্ঠে দৃপ্ত শপথ’

_DSC0902 _DSC0955 _DSC1015 _DSC0994 _DSC1024 _DSC0909 _DSC0003 _DSC1021 _DSC0911 _DSC0935 _DSC0020 _DSC0915সফলতা উদ্যাপন ও অভিজ্ঞতা বিনিময়, দেশের সার্বিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখার দৃপ্ত শপথ ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হলো ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার-এর ষষ্ঠদশ জাতীয় সম্মেলন-২০১৫। ‘আমাদের আগামী, আমাদের পথ, তারুণ্যের কণ্ঠে দৃপ্ত শপথ’ এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ২৫-২৬ ডিসেম্বর, ২০১৫ সাভার (ঢাকা) গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র মিলনায়তনে এক উৎসবমুখর পরিবেশে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন থেকে এক হাজার শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাব্রতী সংগঠক অংশগ্রহণ করে। এছাড়া বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত শিক্ষক ও অভিভাবকগণও সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য যে, এই সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল: (ক) আত্মমর্যাদা ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ অর্জনের লক্ষ্যে পরিচালিত গণজাগরণের প্রচেষ্টায় ছাত্র-ছাত্রীদের নেতৃত্বে স্বেচ্ছাব্রতী বিভিন্ন উদ্যোগ ও অর্জনের গঠনমূলক পর্যালোচনা করা; (খ) গণজাগরণ থেকে অর্জিত উল্লেখযোগ্য শিক্ষণীয় দিক চিহ্নিত ও অভিজ্ঞতা বিনিময় করা এবং (গ) ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি’র লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে একটি সমবেত প্রত্যাশা সৃষ্টির মাধ্যমে দেশের জন্যে একটি নতুন ভবিষ্যতের দৃঢ় ভিত্তি গড়ে তোলা।Read More »ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার-এর ষষ্ঠদশ জাতীয় সম্মেলন-২০১৫ ‘আমাদের আগামী, আমাদের পথ, তারুণ্যের কন্ঠে দৃপ্ত শপথ’

এগিয়ে চলছে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠশালা

School (1) School (2)

ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর শাখার পরিচালনায় এগিয়ে চলছে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠশালা।আমরা একথা ভালো করেই জানি যে, একটি জাতির অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য চাই শিক্ষা। শিক্ষাই পারে জাতিকে উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছাতে।

Read More »এগিয়ে চলছে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পাঠশালা

স্বপ্নে ফিরল স্বপ্নহারা ৩০টি প্রদ্বীপ

আমরা এখন স্কুলে যাই। আমরা এখন নিয়মিত পড়ালেখা করি। আমরা এখন নিজেকে বড় মনে করি, আর আরও বড় হওয়ার স্বপ্ন দেখি। এই কথাগুলো বলছিলেন কক্সবাজার পাওয়া হাউস এলাকার হতদরিদ্র পরিবারের কিছু শিশুরা। এই শিশুগুলো বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে স্কুল থেকে ঝরে পড়েছিল। তার মধ্যে অন্যতম একটি কারণ ছিল শিক্ষার প্রতি পিতা-মাতার অজ্ঞতা।

Read More »স্বপ্নে ফিরল স্বপ্নহারা ৩০টি প্রদ্বীপ

‘১৮এর আগে বিয়ে নয়’ প্রতিশ্রুতি ১,৫০০ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকার

people taking oath জাতীয় কন্যা শিশু এডভোকেসি ফোরাম, ইয়ুথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ, উইমেন এন্ড গার্লস লীড গ্লোবাল এবং ইউএসএআইড বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে গত ১১ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার জোড়পুকুরিয়া উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আন্তর্জাতিক কন্যাশিশু দিবস উদযাপন করে।
প্রায় ১,৫০০ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রতিজ্ঞা করেন যে তারা ১৮ বছর এর আগে বিয়ে করবে না বা বিয়ে হতে দেবে না। এই আয়োজনে ৫০০ জন নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে তাদের অভিবাবকদের বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে অঙ্গীকারের ছবি নিয়ে ছবিমেলার আয়োজন করা হয়। ছবিমেলায় অংশ নেয়া শ্রেষ্ঠ ২০ ছাত্রী ও তাদের পিতামাতার হাতে পুরষ্কার ও সম্মাননা ক্রেষ্ট তুলে দেয়া হয় এবং ৮০ জন ছাত্রী ও তাদের পিতা-মাতাকে বিশেষ পুরষ্কার প্রদান করা হয়।
Read More »‘১৮এর আগে বিয়ে নয়’ প্রতিশ্রুতি ১,৫০০ শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকার

‘তথ্য অধিকার আইন কর্মশালা’ জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার্থে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার

_DSC0505বাংলাদেশে প্রায় দুই দশকের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২০ অক্টোবর ২০০৮ এ তৎকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ পাস করে। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার জনগণের জানার অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি, দুর্নীতি হ্রাস ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা; জনগণের চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতার সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠা সর্বোপরি জনগণের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে তথ্য-অধিকার নিশ্চিত করতে গত ২৯ মার্চ ২০০৯ তারিখে ‘তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯’ পাস করে।
২০০৮ সালে তথ্য অধিকার অধ্যাদেশ জারি করা হলেও ওই অধ্যাদেশের ৮, ২৪ ও ২৫ নম্বর ধারা তিনটি – যথাক্রমে তথ্য প্রাপ্তির অনুরোধ, আপিল দায়ের ও নিষ্পত্তি এবং অভিযোগ দায়ের ও নিষ্পত্তিসংক্রান্ত বিষয়গুলো অকার্যকর থাকায় আইনটি মূলত সুপ্ত অবস্থায় ছিল। ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ জারি করে ১ জুলাই ২০০৯ তারিখ থেকে ওই ধারাগুলোসহ কার্যকর করা হয় এবং আইনটি বাস্তবায়ন করার জন্য ১লা জুলাই ২০০৯ তারিখেই তথ্য কমিশন গঠন করার মাধ্যমে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
Read More »‘তথ্য অধিকার আইন কর্মশালা’ জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার্থে একটি শক্তিশালী হাতিয়ার

এসডিজি ও বাংলাদেশের তারুণ্য

index২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৯৩টি দেশের রাষ্ট্র/সরকার প্রধানেরা ‘ট্রান্সফরমিং আওয়ার ওয়ার্ল্ড: দ্যা ২০৩০ এজেন্ডা ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট’ শিরোনামের একটি কর্মসূচি অনুমোদন করে, যা সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোলস (এসডিজি) নামে পরিচিত। বিশ্বমানবতার সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে এটি একটি কর্মপরিকল্পনা, যা বিশ্বব্যাপী শান্তি, স্বাধীনতা ও কার্যকর অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত করবে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রত্যাশা, ২০৩০ এজেন্ডা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য থেকে মুক্তি পাবে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ এবং অর্জিত হবে পরিবেশের ভারসাম্য।Read More »এসডিজি ও বাংলাদেশের তারুণ্য