গণিত উৎসব

প্রতিযোগিতা বিষয়ক সংবাদ:
ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার তার যাত্রালগ্ন থেকেই তরুণ শিক্ষার্থীদের মেধা ও সৃজনশীলতা বিকাশের লক্ষ্যে ইউনিটভিত্তিক বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রতিযোগিতা আয়োজন করে থাকে।  এ সকল প্রতিযোগিতার মধ্যে রয়েছে বির্তক, সাধারণ জ্ঞান কুইজ, চিত্রাঙ্কন, রচনা, বর্ণ লিখন ও উপস্থিত বক্তৃতা ইত্যাদি।

‘গণিত নিয়ে খেলা কর, বিশ্বটাকে জয় কর’ শ্লোগানকে সামনে রেখে ২০০৫ সালের শেষ দিক থেকে বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির একাডেমিক সহযোগিতায় ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার গণিত উৎসব আয়োজন শুরু করে।  এর উদ্দেশ্য ছিল দেশের সুবিধাবঞ্চিত ছাত্র-ছাত্রীদের গাণিতিক মেধার উৎকর্ষ সাধন, গণিত ভীতি দূর করা এবং তাদের চর্চায় উৎসাহিত করা।  ২০১৪ সালের জানুয়ারি-ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ইউনিয়ন এবং উপজেলা পর্যায়ে প্রায় ১৫ টি গণিত উৎসবের আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।  তৃণমূল পর্যায়ে গণিত উৎসবকে ছড়িয়ে দেয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটি জাতীয় গণিত উৎসব-২০০৭ এ ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করেছে।  উল্লেখ্য, বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াড কমিটির প্রতিশ্রতি অনুযায়ী এখন থেকে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-এর উদ্যোগে ইউনিয়ন, উপজেলা এবং জেলা পর্যায়ে অনুষ্ঠিত সকল গণিত উৎসবের বিজয়ী চ্যাম্পিয়নরা জাতীয় পর্যায়ের অলিম্পিয়াডে সরাসরি অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন।

জাহানাবাদ ইউনিয়ন, মোহনপুর উপজেলা, রাজশাহী:
প্রায় এক হাজার শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে তিটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে রাজশাহী জেলার মোহনপুর উপজেলার জাহানাবাদ ইউনিয়নে গণিত উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।  ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার জাহানাবাদ একতা ইউনিটের  আয়োজনে ১৩ মার্চ ২০১৪ জাহানাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ উৎসবটি পরিণত হয়েছিল তৃণমূলের শিক্ষার্থীদের প্রাণের মিলনমেলা।  সকাল ১০.০০টায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় উৎসব।  উদ্বোধনের পরই শুরু হয় তিনটি ক্যাটাগরিতে পরীক্ষা।  সাধারণ পাঠ্যসূচির বাইরে থেকে প্রশ্ন থাকায় বিষয়গুলো প্রথমে জটিল মনে হলেও পরে মজা পায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা।  পরীক্ষা শেষে একদিকে চলছিল উত্তরপত্র নিরীক্ষণের কাজ, আর অন্যদিকে ছিল প্রতিযোগীদের নিয়ে বন্ধু পর্ব।  এ পর্বে প্রতিযোগীদের সাথে আলোচনা করেন অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ এবং তারা প্রতিযোগীদের গণিত নিয়ে করা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর প্রদান করেন।  উৎসবের সমাপনী পর্বে মিথ্যা বলা, মাদক নেয়া আর মুখস্ত বলা থেকে বিরত থাকতে এবং প্রতিদিন একটি করে ভাল কাজ করার অঙ্গীকার করেন উৎসবে অংশ নেয়া শিক্ষার্থীরা।  উৎসবে মোট ১৫ জনকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।  প্রতিবেদক: সুব্রত কুমার পাল।

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s