সাহিত্য পাতা

ভাষা আন্দোলনের ৬০ বছর পূর্তি ও আমাদের প্রাপ্তি
মোজাম্মেল হক
১৯৫২ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারী ছিল বাঙ্গালী জাতির জীবনে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। এদিনে তৎকালীন আমাদের মত ছাত্র সমাজ জেগে উঠেছিল মায়ের ভাষা বাংলাকে রক্ষা করার জন্য। পাকিস’ানী দূসররা যখন বাংলা ভাষাকে চিরতরে মুছে ফেলার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ঠিক তখনই জেগে উঠেছে বাংলা অসংখ্য তরুণ ছাত্র সমাজ। রাজপথ রঞ্জিত করেছে রক্তের বিবর্ণ দাগে। পাকিস’ানী বাহিনী চালিয়েছে অতর্কিত বর্বরোচিত হামলা। রক্তাক্ত রয়েছে ছাত্রসহ নাম না জানা অনেক জনতা। শহীদ হয়েছেন সালাম, বরকত, রফিক , জব্বার , শফিউরসহ আরো অনেকে। যাদের রক্তের বিনিময়ে পেয়েছি মায়ের ভাষায় কথা বলার অধিকার। পৃথিবীতে একমাত্র বীরের জাতি সে হচ্ছি আমরা । যে জাতি নাকি ভাষার জন্য যুদ্ধ করতে পারে। বিশ্বের ইতিহাসে এমন আর কোন জাতি পাওয়া যাবে না যে জাতি ভাষার জন্য যুদ্ধ করেছে। তাই এ অর্জনের জন্য আমাদের রয়েছে বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতিও। যার স্বীকৃতি স্বরম্নপ ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালে ২১ শে ফেব্রুয়ারীকে আনর্-জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। সারা বিশ্বে সাড়ম্বরে পালিত হয় এ দিবসটি। ভাষা নিয়ে যুদ্ধ করতে পারে সেটি হচ্ছে আমাদের সুজলা, সুফলা, শস্য শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। এরই সুত্র ধরে পেয়েছি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ, পেয়েছি মায়ের ভাষায় প্রাণ খুলে কথা বলা অধিকার। পেয়েছি নিজস্ব সংস্কৃতিকে লালন করার মত অধিকার। তাই আমাদের উচিত এই বাংলা ভাষাকে সর্বস-রে ব্যবহার করে বায়ান্নের ভাষা শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা। ভাষা আন্দোলনের ৬০ পূর্তিতে বায়ান্নের ভাষা শহীদদের প্রতি জানাই অকৃত্রিম ভালবাসা ও শ্রদ্ধা। আসুন সবাই মিলে সর্বক্ষেত্রে বাংলাকে প্রয়োগ করে গড়ে তুলি সুখী- সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ ।

নওগাঁর পত্নীতলায় দিবর সুরভী ইউনিটের আয়োজনে দিবর দিঘী  বার্তা প্রকাশ
গত ০১ লা ফেব্রুয়ারী ২০১২ হতে নওগাঁ জেলার পত্নীতলাধীন দিবর ইউনিয়নের দিবর সুরভী  ইউনিটের উদ্যোগে দিবর দিঘী বার্তা প্রকাশিত হয়। সুরভী  ইউনিট কো-অর্ডিনেটর জামাল উদ্দিনের সম্পাদনায় প্রথমবারের মতো প্রকাশিত এ দেয়ালিকায় স’ানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের  লেখা কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প, ভ্রমণ কাহিনী, উপন্যাস, রম্য রচনা, এলাকার বিভিন্ন সমস্যা এবং বিভিন্ন পরীক্ষা প্রস’তি নিয়ে  লেখা প্রকাশিত হয়। দেয়ালিকা প্রকাশের অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপসি’ত ছিলেন ৩নং দিবর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব নুরম্নজ্জামান। স’ানীয় স্কুলের শিক্ষার্থী, ইউনিটের সকল সদস্য এবং এলাকার প্রায় অর্ধশতাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তির উপসি’তিতে প্রকাশনা উৎসবে পরিণত হয়। সম্পাদক তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন “দীর্ঘদিন মনের মধ্যে পুষে রাখা ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পেরে খুব ভাল লাগছে, এ উদ্যোগ ধারাবাহিকভাবে অব্যাহত থাকবে , এ জন্য আপনাদের সহযোগিতা আবশ্যক।” সাপাহার জামান নগর বালিকা বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী নাছরিন সুলতানা অভিমত ব্যক্ত করেন , “আমার বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছে আমার লেখা প্রকাশিত হলো, আমি আরও  লেখবো এবং নিয়মিত পড়বো সকল লেখকের লেখা।” ইউনিট সদস্য আইয়ুব আলী বলেন “সংক্ষিপ্ত সময়ে আমরা ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের সাথে যুক্ত হয়েছি, আজ দেয়ালিকা প্রকাশের মাধ্যমে আমরা নিজেদের বিকাশের পথে পা দিলাম। এখানে উপসি’ত সকলে এই সুখবর পৌঁছে দেবেন অন্যের কাছে, তাহলে আমরা আরও উৎসাহ পাব।” প্রধান অতিথির বক্তব্যে জনাব নুরুজ্জামান বলেন “আমার সন-ানেরা আজ প্রমাণ করেছে অসম্ভব বলে কিছু নেই। নিজের মধ্যে লুকিয়ে রাখা মানুষটিকে খুঁজে নিতে পারলেই আমরা আমাদের সকল সমস্যার সমাধান করতে পারবো। দিবর দিঘী বার্তা হোক আমাদের সকলের মুখপাত্র। এখানে দেশের বিভিন্ন প্রান- থেকে পর্যটক আসেন। তারা দিবর দিঘী বার্তার মাধ্যমে এখানকার সংষ্কৃতি এবং সম্প্রীতির পরিচয় পাবেন। আমি এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই এবং অব্যাহত থাকুক প্রতিটি পদক্ষেপ।” পাক্ষিক ভিত্তিতে প্রকাশিত এ দেয়ালিকা  একদিকে যেমন সৃজনশীলতা বিকাশে ভুমিকা রাখবে তেমনি, উৎসাহ পাবে এলাকার সকল মানুষ। দিবর দিঘী বার্তা প্রকাশের ক্ষেত্রে ইয়ূথ লীডার অলক, উজ্জীবক হারুনুর রশিদ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন।

দিবর দিঘী বার্তায়  লেখা আহবান
ছাত্রছাত্রী ভাই বোনেরা, আপনাদের আর্শিবাদে ও  সহযোগিতায়  ৩য় বারের মতো প্রকাশিত হয়েছে দিবর দিঘী বার্তা। আগামী সংখ্যায় আপনাদের লেখা প্রকাশের জন্য যে কোন  লেখা প্রেরণের আহবান জানাচ্ছি। আপনাদের অপ্রকাশিত গল্প, কবিতা, রম্য-রচনা, অনুপ্রেরণামুলক উদ্যোগ, উপন্যাস, প্রবন্ধ, ভ্রমণ কাহিনী, কৌতুক পাঠিয়ে দিন আমাদের ঠিকানায়। লেখক সম্মেলনে প্রতি পর্বের সেরা লেখককে পুরষ্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে। লেখককে পুরষ্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হবে।
লেখা পাঠাবার ঠিকানা
মোঃ জামাল উদ্দিন, সমপাদক- দিবর দিঘী বার্তা,  গ্রাম ঃ দিবর পোঃ বাঁকরইল,
উপজেলা ঃ পত্নীতলা, জেলা ঃ নওগাঁ মোবাইল নং
০১৭২৪ ২৪৪৭৮০/০১৭১৩৮১৯২৮৪ 
ই-মেইল ঃ ফরনড়ৎফবমযবব@মসধরষ.পড়স

ইভটিজিং
মোজাম্মেল হক, ইয়ূথ একটিভিষ্ট,কটিয়াদী,কিশোরগঞ্জ
সারা দেশটা ইভটিজিং-এ হল ভরপুর
আমরা কি পারিনা করতে
ইভটিজিং কে দূর ?
পারবো বলো এসো যুবক
হাতে হাত রেখে শপথ করি
আমার বোন তোমার বোনকে
ইভটিজিং থেকে মুক্ত করি।
আমি বদলে গেছি নিজে নিজে
তুমিও যাও বদলে
আর কখনো যাবো না আমরা
ইভটিজিং কারীর দলে।
ইভটিজিং হল ভাই এ দেশের
একটি সামাজিক ব্যাধি,
সমাজ থেকে প্রতিরোধ করতে পারি
সবাই মিলে জাগ্রত থাকি যদি।
চারদিকে ইভটিজিং এর কারণে
কত বোন হারায় প্রাণ
ভাই থাকতে বোনের কেন
যাবে মান সম্মান ?

তরুণ নেতৃত্বের বিকাশে চাই নতুন একটি প্লাটফরম
৫২-র ভাষা আন্দোলন, ৬৬-র ৬ দফা, ৬৯-র গণ অভ্যুত্থান, ৭০-র সাধারণ নির্বাচন, ৭১-র মুক্তিযুদ্ধ সহ বাংলাদেশের যতসব আন্দোলন, তাতে তরুণসমাজ বা ছাত্রসমাজের ভুমিকা ছিল অনস্বীকার্য। নীতি নির্ধারণ, সংগঠিতকরণ ও আন্দোলনকে বাস-বে রুপ দেয়ার ক্ষেত্রে ছাত্রসমাজ পালন করেছে অগ্রণী ভুমিকা। ব্যক্তিগত বা দলীয় কোন স্বার্থে নয়, জাতীয় স্বার্থে তারা ঝাপিয়ে পড়েছিল রণক্ষেত্রে। বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছিল রাজপথে। ছিনিয়ে এনেছিল রাষ্ট্রভাষা, ছিনিয়ে এনেছিল দেশের স্বাধীনতা। কিন’ আজকের ছাত্রসমাজ সেদিনের সেই অর্জিত স্বাধীনতা রক্ষার আন্দোলন থেকে অনেক অনেক দূরে। দেশের চেয়ে ব্যাক্তিস্বার্থই তাদের কাছে আজ বড়। শিক্ষাঙ্গন আজ রাজনৈতিক মহড়ার ক্ষেত্র। বাবা-মায়ের আশা-প্রত্যাশার গলায় ফাঁসি দিয়ে ছাত্ররা বই-য়ের বদলে হাতে তুলে নিচ্ছে অস্ত্র। শুধু ছাত্ররাই নয়, শিক্ষকরাও রাজনীতির সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত। সামপ্রতিককালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ভায়াবহ সাংঘর্ষিক পরিসি’তি ও ছাত্রদের প্রাণহানি আমাদেরকে না ভাবিয়ে পারে না। কিন’ কেন শিক্ষাঙ্গণে এসে একজন ছাত্র লাশ হয়ে ফিরে যাবে? কেন শিক্ষাঙ্গনে চলবে পুলিশের হামলা? এ পরিসি’তি কাদের সৃষ্টি? বলতে দ্বিধা নেই, এর জন্য আমাদের কলুষিত ছাত্ররাজনীতি, রাজনীতিবিদ ও তথাকথিত ছাত্রনেতারাই দায়ী। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলের একটি করে ছাত্রসংগঠন রয়েছে। জাতীয় রাজনীতির সাথে কাধে কাধ মিলিয়ে চলছে ছাত্ররাজনীতি। কারন, ছাত্রদের ব্যবহার করে নিজেদের রাজনৈতিক মাঠ গরম রাখা খুব সহজ। এক্ষেত্রে তাদের তরুণ্য আর টগবগে রক্তকে কাজে লাগানো যায়। শিক্ষাঙ্গনে সক্রিয় রাজনীতির ফলে লেখাপড়ার সুষ্ঠ পরিবেশ হচ্ছে ব্যহত। যাদের সামর্থ রয়েছে তারা লেখাপড়ার জন্য বিদেশে পাড়ি জমাচ্ছে। অনেক শিক্ষকও শিক্ষাছুটি নিয়ে বিদেশে যাওয়ার পরে স’ায়ীভাবেই সেখানে থেকে যাচ্ছেন। ফলে মেধাপাচারের কবলে পড়ছে জাতি। ছাত্ররা আসলে সক্‌্িরয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত না হয়ে রাজনৈতিক প্রকিৃয়ার সাথে সম্পৃক্ত হবে। পশ্চিমা দেশগুলো সহ উপমহাদেশেরও বেশকিছু দেশের তরুণরা এমনই একটি প্লাটফরম গড়ে তুলেছে ইয়ূথ পার্লামেন্টের মাধ্যমে। বৃটেন, আমেরিকা, জার্মানী, ভারত, পাকিস-ান, আফগানিস-ানের ছাত্রছাত্রীরা সক্রিয় রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করে না, বরং তারা জাতীয় রাজনৈতিক কর্মকান্ড ও জাতীয় ইস্যুসমূহ নিয়ে চিন-াভাবনা ও গবেষণা করে এবং তাদের নিজেদের মতাদর্শ তুলে ধরে। জাতীয় স্বাথে তারা জনসমর্থন আদায়েরও চেষ্টা করে। ঐসব দেশে তরুণদের ভাবনাগুলো পার্লামেন্টে তুলে ধরার সুযোগও রয়েছে। এই সুযোগ কিন’ আপনা আপনি আসেনি। এটি তাদেরকে অর্জন করে নিতে হয়েছে। আমাদের তরুণ সমাজকেও তা অর্জন করে নিতে হবে। নীতিনির্ধারক ও দেশবাসীকে শোনাতে হবে নিজেদের কথা। তরুণরা দেশের আনাচে-কানাচে নিরবে নিভৃতে অনেক সামাজ উন্নয়ণমূলক কর্মকান্ড করছে যার খবর হয়তো অনেকেই জানেননা। ইয়ূথ পার্লামেন্টের মাধ্যমে তরুণরা তা দেশবাসীকে জানাতে পারবে, পারবে তাদের প্রতি সাধারণ জনগনের আস’ার জায়গাটি তৈরি করতে, সরকার-রাজনীতি ও অর্থনৈতিক প্রকৃয়া সম্পর্কে জানতে পারবে, আইন প্রনয়ণের প্রকৃয়া সম্পর্কে অবগত হতে পারবে, তাদের মধ্যে নেতৃত্বের দক্ষতা তৈরি হবে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সাথে তারা পরিচিত হবে ও গণতন্ত্র চর্চা করতে শিখবে, মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও অন্যের মতামতকে সম্মান জানাতে শিখবে, পারষ্পারিক সহযোগিতা ও সহণশীলতা আয়ত্ব করতে শিখবে, নাগরিক অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে জানবে যা আমাদের দেশের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। সমাজের অসংগতিগুলো খুজে বের করতে, নেতীবাচক পরিসি’তিগুলো মোকাবেলা করতে নিজেদের একটি প্লাটফরম গড়ে তোল
একান- প্রয়োজন। এর সবকিছুই হবে জাতীয় স্বার্থে। তবে সর্বাগ্রে প্রয়োজন রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্রসংগঠন নিষিদ্ধ করা। কারণ, ছাত্ররাজনীতি যতদিন চলবে ততদিন তরুণদের এরকম স্বতন্ত্র প্লাটফরম গড়ে তোলা কঠিন হবে। ছাত্ররাজনীতি আর ছাত্র আন্দোলন এক জিনিস নয়। ছাত্ররাজনীতি একটি নির্দিষ্ট দলের বা গোষ্ঠীর স্বার্থসিদ্ধির জন্য আর ছাত্র আন্দোলন সমগ্র জাতির স্বাথর্রক্ষার জন্য। যে ছাত্রআন্দোলনের কল্যাণে আমরা পেয়েছি আমাদের মায়ের ভাষাকে, আমরা পেয়েছি আমাদের দেশকে, সেই আন্দোলনকে আজ ছাত্ররা ছাত্ররাজনীতির সাথে মিলিয়ে ফেলছে যা সত্যিই দুঃখজনক। যে দেশের অর্থনৈতিক অবস’া ভঙ্‌গুর, সিংহভাগ মানুষ নিরক্ষর, স্বাস’্যব্যবস’া মুখ থুবড়ে পড়েছে, কার্যকর শিক্ষানীতি ও স্বাস’্যনীতি নেই, জননিরাপত্তার অভাব, দ্রব্যমূল্য আকাশছোয়া, প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা দিচ্ছে, যোগোযোগ ব্যবস’ার বেহাল দশা, নাগরিক অধিকার বলে কিছু নেই, প্রতিটি ক্ষেত্রে অনিয়ম আর অসংগতি, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের অভাব, অদক্ষ হাজারো হাজারো শ্রমিক সেই দেশের ছাত্রদের কখনই জাতীয় রাজনীতি যুক্ত হওয়া উচিত নয় বরং জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি এমন এক ভিন্নধারার রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট তৈরি করা উচিত যা ঐ ছাত্রআন্দোলনে রুপ নেবে। দেশের স্বার্থে ছাত্ররা রাজনীতিবীদদের কাছে জবাবদিহি চাইবে। আদায় করে নেবে তাদের নাগরিক অধিকার। আর তার জন্য আমাদের প্রয়োজন নেলসন ম্যান্ডেলা, দালাইলামা, আব্রাহাম লিংকন, চি গুয়েভারা, ফিদেল ক্যাস্ট্রো, মাহাথির মোহাম্মদ, ইয়াসির আরাফাত, কিম জং ইল, মহাত্মা গান্ধী-দের মত মাত্র একজন বিশ্বনেতা।

সাজ্জাদ হোসেন রিজু
প্রক্তন সদস্য, ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-ঝিনাইদহ সদর ইউনিট
(বর্তমানে বিডিজবস.কম এ কর্মরত)

Advertisements

About John Coonrod

Executive Vice President, The Hunger Project
This entry was posted in কার্যক্রম, প্রকাশনা. Bookmark the permalink.