বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক সংবাদ

ঝিনাইদহের পাগলাকানাই ইউনিটের উদ্যোগে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টিতে র‌্যালি ও শপথগ্রহণ
১৯ জুলাই ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার পাগলাকানাই ইউনিটের উদ্যোগে পাগলাকানাই  ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে সচেতনতা র‌্যালি ও শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত র‌্যালিটি পাগলাকানাই ইউনয়িন পরিষদ থেকে বের হয়ে বেশকিছু মহল্লা প্রদক্ষিণ করে পাগলাকানাই  ইউনিয়ন পরিষদে  মিলিত হয়। র‌্যালি শেষে পাগলাকানাই  ইউনিয়ন পরষিদে একটি উন্মুক্ত আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এ সময় বাল্য বিবাহের বিভিন্ন কুফল নিয়ে আলোচনা করেন মহিলা মেম্বার সালেহা বেগম, নারী নেত্রী শেফালী খাতুন, হামিদা বেগম ও উজ্জীবক আক্কাস আলীসহ ইউনিটের সদস্যরা। কার্যক্রমটি
পরিচালনা করেন ইউনিট  সদস্য লাবন্য ও অন-রা। বিশেষভাবে সহযোগিতা করেন নাজমা, আরিফ ও আলমগীর। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সমপন্ন করার জন্য সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করেন ঝিনাইদহ সদর ইউনিটের কো-অর্ডিনেটর ও ইয়ূথ এ্যাক্টিভিস্ট অমিত বিশ্বাস।
রিপোর্ট: আবু সাইদ

বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ শীর্ষক র‌্যালী ও আলোচনা সভা
২১ সেপ্টেম্বর রঘুরামপুর এক শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষক মন্ডলী, উজ্জীবক, নারী নেত্রী ও ইয়ূথ লিডার নিয়ে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ শীর্ষক র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত আলোচনা সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এর চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের সমন্বয়কারী বিদ্যুৎ কুমার নন্দী, নারী নেত্রী রাবেয়া, উজ্জীবক আরিফুল ও ইয়ূথ লিডার নূর মোহাম্মদ।
রিপোর্ট: এ কে মানিক
যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উঠান বৈঠক
২৫ ডিসেম্বর কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার হেসাখাল গ্রামে এ্যাকটিভ সিটিজেনস ৩১৭তম ব্যাচের উদ্যোগে যৌতুক ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয় । এতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ২৫ জন নারী অংশগ্রহণ করেন। সভায় বাল্যবিবাহের কুফল নিয়ে আলোচনা করেন এ্যাকটিভ সিটিজেনস জাহানারা আক্তার। উঠান বৈঠকটির আয়োজন করে জাহানারা, কামরুন্নাহার, তাসলিমা ও মর্জিনা।
রিপোর্টঃ তানভীর হাছান
ঝিনাইদহ  শিকারপুর ইউনিটের উদ্যোগে বাল্যবিবাহ বন্ধে সচেতনামূলক ক্যাম্পেইন
২৭ সেপ্টেম্বর  শিকারপুর ইউনিটের উদ্যোগে শিকারপুর গ্রামে বাড়ি-বাড়ি গিয়ে বাল্যবিবাহের কুফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। বাল্যবিবাহের শিকার এমন তরুণীদের সাথেও কথা বলা হয়। বাড়ির অবিভাবকদের সাথে আলোচনার সময় তারা স্বীকার করেন যে, তারা অজানে- বিরাট ভুল করেছেন যা এখন তাদের বিরাট সমস্যার কারণ হয়ে দাড়িয়েছে। পাশাপাশী তারা প্রতিজ্ঞাবদ্ব হয়েছেন যে, আর কেউ যেন তাদের মতো এমন  ভুল না করে। ক্যাম্পেইনটি পরিচালনা করেন ইউনিট কো-অর্ডিনেটর আরিফুজ্জামান। বিশেষভাবে সহযোগিতা করেন সাইদ, রুবিনা, সুমাইয়া, ইতি, দেলোয়ার, বিল্লাল, মাজেদ ও খইরুল। অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করেন ঝিনাইদহ সদর ইউনিটের কো-অর্ডিনেটর ও ইয়ূথ এ্যাক্টিভিস্ট অমিত বিশ্বাস।
রিপোর্ট: আবু সাইদ

Advertisements