ইয়ূথের স্বেচ্ছাব্রতী সামাজিক উদ্যোগ মেলা ২০১১

স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে এ্যাকটিভ সিটিজেনস ইয়ূথ লিডারদের উদ্যোগে গৃহীত সামাজিক উদ্যোগের  অর্জন ও ধারণাগুলো অধিকাংশ শিক্ষার্থীদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং এ ধরণের উদ্যোগ আরও বেশি গ্রহণে অন্যদের উদ্বুদ্ধ ও সংগঠিত করার মানসে ব্রিটিশ কাউন্সিলের সহযোগিতায় ও ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ এর ব্যবস’াপনায় দেশের ৫টি অঞ্চলে সামাজিক উদ্যোগ মেলা ২০১১ আয়োজনের সিদ্ধান- নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে দেশের চারটি স’ানে এই মেলা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। মেলায় যেসব সামাজিক উদ্যোগ বিষয়ক স্টল প্রদর্শন করা হয় সেগুলো হলো: গণশিক্ষা কেন্দ্র, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, যৌতুক প্রতিরোধ, পাঠাগার, বৃক্ষরোপণ, পরিবেশ বাচাঁও আন্দোলন, স্যানিটেশন, বিতর্ক ক্লাব, বিজ্ঞান ক্লাব, গণিত ক্লাব, মেধাবিকাশ ক্লাব, ইংরেজি ক্লাব, মাদক প্রতিরোধসহ স্বেছায় রক্তদানে উদ্বুদ্ধকরণ এবং ইয়ূথদের সামাজিক যোগাযোগ সাইট যেমন ফেসবুক ও টুইটারের মাধ্যমে বৈশ্বিক নাগরিক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া ইত্যাদি।

সামাজিক উদ্যোগ মেলা কি?
সামাজিক উদ্যোগ মেলা হচ্ছে স্বেচ্ছাব্রতী ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে গৃহীত সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের বিভিন্ন বিষয় যেমন দৃষ্টান-মূলক অর্জন, অর্জনের চ্যালেঞ্জ, প্রতিবন্ধকতা, অভিজ্ঞতা বিনিময়, কার্যক্রমের ছবি ইত্যাদি বিভিন্ন স্টলের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের সামনে উপস’াপন করা। মূলত স্বেচ্ছাব্রতীরাই এইসব কার্যক্রমে নেতৃত্ব প্রদান করে থাকে। এ্যাকটিভ সিটিজেনস কার্যক্রমের প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বে মোট ৩৮০টি ও সুপার স্যাপ প্রশিক্ষণের পর গণশিক্ষা বিষয়ক আরও ৮০টি  সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় এলাকায় বিদ্যমান সমস্যা ও প্রতিবন্ধকতার আলোকে। গৃহীত সামাজিক উদ্যোগ গুলো এখনও স্ব-স্ব এলাকায় চলমান রয়েছে। এসকল উদ্যোগের মধ্যে যেগুলো কমিউনিটিতে ব্যাপক দৃষ্টান- অর্জন করেছে মূলত সেগুলোই সামাজিক উদ্যোগ মেলায় স’ান পেয়েছিল।

সামাজিক উদ্যোগ মেলার উদ্দেশ্য:
সামাজিক উদ্যোগ মেলার উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বেচ্ছাব্রতী সামাজিক উদ্যোগ প্রদর্শন ও প্রতিটি উদ্যোগের বর্তমান অবস’া, অর্জন, অর্জন কম হবার কারণ ও চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা। একইসাথে এর মাধ্যমে উদ্যোগ গ্রহণকারীদের স্বীকৃতি ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ করে দেওয়া।

 

Advertisements