ঝিনাইদহ অঞ্চলের খবরা-খবর

ভাষার মাসে নিরক্ষরতা দূরীকরণের ঘোষণা দিল ঝিনাইদহবাসী

গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১১ আন-র্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার ঝিনাইদহ সদর ইউনিট ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্তরে একটি স্বাক্ষর গ্রহণ কর্মসূচী হাতে নিয়েছিল। ভাষা জয়ের ৫৮ বছর ও স্বাধীনতার ৪০ বছর পরেও আমাদের দেশের প্রায় ৫ কোটি মানুষ নিরক্ষর। ভাষা ব্যবহারের সংখ্যার দিক থেকে বাংলা এখন ৪র্থ স’ানে রয়েছে। বাংলা আজ জাতিসংঘের দাপ্তরিক ভাষা হতে চলেছে। কিন’ সেই বাংলা ভাষার দেশ, বাংলাদেশে এত ব্যাপক সংখ্যক মানুষ নিরক্ষর থাকবে তা কখনই মেনে নেয়া যায় না। এই চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিরক্ষরতা দূরীকরণের ব্রত নিয়ে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার ঝিনাইদহ সদর ইউনিটের এই আয়োজন। আমরা যারা সাক্ষরজ্ঞানসম্পন্ন তারা প্রত্যেকেই যদি অন-ত একজন নিরক্ষর ব্যক্তিকে সাক্ষরজ্ঞান করে তোলার দায়িত্ব নেই তাহলে আগামী ছয় মাসেই আমাদের দেশ থেকে নিরক্ষরতার গ্লানি মুছে ফেলা সম্ভব। এই বার্তা নিয়ে যখন ইউনিটের স্বাক্ষরগ্রহণ অভিযান চলছিল তখন ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধাঞ্জলি দিতে আসা শত-শত মানুষ এই কার্যক্রমকে স্বাগত জানায় এবং স্বতস্ফুর্তভাবে নিরক্ষরতা দূরীকরণে এগিয়ে আসবে বলে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে স্বাক্ষর প্রদান করে। এদিনে ঝিনাইদহের বিভিন্ন পর্যায়ের  পাঁচ শতাধিক মানুষ স্বাক্ষর প্রদানের মাধ্যমে নিরক্ষরতা দূরীকরণের প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করে। একইসাথে স্বেচ্ছাব্রতী ইয়ূথ সদস্যদের কার্যকর এই উদ্যোগের জন্য তারা  ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার ঝিনাইদহ সদর ইউনিটকে ধন্যবাদ জানায় এবং তাদের কাজের সাথে একাত্বতা ঘোষণা করে। একাজে সার্বিক সহযোগিতা করেন  ঝিনাইদহ সদর ইউনিটের আমিনুল, অমিত,সাইদ,ফারুক,তাসনিম,বাহার ও রিজু।
রিপোর্ট: সাজ্জাদ হোসেন রিজু

উত্তক্ত্যতা প্রতিরোধে ঝিনাইদহের ইয়ূথ বন্ধুদের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

উত্যক্ততা বর্তমান সময়ের একটি বহুল আলোচিত সামাজিক ব্যাধি। এই ব্যাধিতে জড়িয়ে পড়েছে বর্তমান সময়ের উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীরা। ঊাব শব্দটি এসছে পুরান ও বাইবেল থেকে যার অর্থ বিশ্বের প্রথম নারী। আর ঞবধংরহম অর্থ বিরক্ত করা। সুতরাং ঊাব ঞবধংরহম এর সামগ্রিক অর্থ দাড়ায় নারীদের বিরক্ত করা। কিন’ ঘটনার বর্তমান প্রেক্ষাপট শুধুমাত্র বিরক্ত করার মধ্যেই সীমিত নেই। এটি আজ তার চেয়েও ব্যাপক, তার চেয়েও প্রাণঘাতি রূপ নিয়েছে। তাছাড়া নারী-পুরুষ উভয়পক্ষ থেকেই এধরনের ঘৃনীত অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে বলে হাইকোর্ট সমপ্রতি “ইভ টিজিং” শব্দটি ব্যাবহারের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তাই একে আমরা উত্যক্ততা বা যৌন নিপিড়ন বলে আখ্যায়িত করছি।
উত্তক্ত্যতার কারণ আসলে কি? কারা এর জন্য প্রকৃতপক্ষে দায়ী? এ থেকে পরিত্রানের উপায় কি? কিভাব এটি এত ভয়াবহ রূপ নিল? উত্যক্ত্যতার ফলে আমাদের সমাজে কি ধরনের সুদূরপ্রসারী প্রভার পড়বে এসব প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করছে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার ঝিনাইদহ সদর ইউনিটের সদস্যরা। ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার ঝিনাইদহ সদর ইউনিট,ঝিনাইদহের সুস’ধারার সাংষ্কৃতিক আন্দোলন ”সঞ্জীবন” কে সাথে নিয়ে উত্যক্ত্যতা বিরোধী প্রচারণা কর্মকান্ড শুরু করে ১৬ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে। এ পর্যনত্ম ৬ টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মোট ১২০০ জন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের অংশগ্রহণে শপথবাক্য পাঠ, উত্যক্ত্যতাবিরোধী স্বাক্ষর সংগ্রহও তথ্য সংগ্রহের কাজ করা হয়েছে।  তথ্যসংগ্রহের ক্ষেত্রে উপরোক্ত প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন ও তা শিক্ষার্থীদের দ্বারা পূরণের মধ্য দিয়ে। প্রশ্নপত্র বিশ্লেষণ করে উত্যক্ত্যতার প্রধান কয়েকটি কারণ চিহ্নিত করা হয়েছে। এগুলো হলো: আমাদের পুরুষতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি, নারীর ক্ষমতায়নের অভাব,সন-ানের প্রতি অভিভাবকদের অসচেতনতা, আকাশ সংস্কৃৃতির প্রভাব ইত্যাদি। ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার ঝিনাইদহ সদর ইউনিটের এটি একটি চলমান কার্যক্রম যা অব্যাহত থাকবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকাভিত্তিক উত্যক্ত্যতা প্রতিরোধের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্ব-স্ব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উত্যক্ত্যতাবিরোধী কমিটি গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে। এব্যাপারে তারা  ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার ঝিনাইদহ সদর ইউনিটের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছে। এ ব্যাতিক্রমী কার্যক্রমটি পরিচালনা করছেন ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার ঝিনাইদহ সদর ইউনিটের ফারুক, অমিত, রিজু, তাসনিম,সাইদ এবং লিয়ন। এতে সার্বিক সহযোগিতা করেন সঞ্জীবনের সমন্বয়কারী ও শিশুকুঞ্জ স্কুল এ্যান্ড কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক এম.আব্বাস উদ্দিন আহমেদ।
রিপোর্ট: সাজ্জাদ হোসেন রিজু

কমিউনিটিতে আমার কাজ

২৩-২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১০ ঝিনাইদহ সদরে আমাদের ১৬২ তম এ্যাকটিভ সিটিজেন ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং অনুষ্ঠিত হয়। চারদিনের ট্রেনিং শেষে আমরা চারটি সামাজিক কর্মকান্ডের উদ্যোগ গ্রহণ করি। তার মধ্যে অন্যতম উদ্যোগটি ছিল বিতর্ক ক্লাব গঠন। ছাত্র-ছাত্রীদের যুক্তিবাদী ও সৃজনশীল হিসেবে গড়ে তুলতে এবং বর্তমান সময়ের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে ভাবনার একটি ক্ষেত্র প্রস’ত করতে আমরা এই সামাজিক কর্মকান্ডটি বেছে নিয়েছিলাম। কারণ সমাজের বিভিন্ন নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে তরুনদের সক্রিয় অংশগ্রহণের জন্য এটি খুবই জরুরী। উন্নত শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিতর্ক চর্চার প্রসার রয়েছে। কিন’  ঝিনাইদহের মত একটি মফস্বল শহরে এধরনের সুযোগ নেই বললেই চলে। তাই আমরা চেয়েছিলাম, ঝিনাইদহের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি করে বিতর্ক ক্লাব গড়ে তুলতে যেন নিয়মিত বিতর্ক চর্চার পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।

ট্রেনিং শেষ হবার পরপরই আমরা কাজ শুরু করি। কিভাবে কাজটি শুরু করা হবে, বিতর্ক ক্লাব গঠনের জন্য আমরা কিভাবে প্রস’তি নেব, বিতর্ক কর্মশালা কিভাবে পরিচালিত হবে, কর্মশালার জন্য সহায়িকা তৈরির দায়িত্ব কে নেবে ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের প্রচুর ভাবতে হয়েছে। আমার বিতর্ক প্রতিযোগিতা করার পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল। তাই আমি আমার পূর্ব অভিজ্ঞতার আলোকে আমার টিমের সদস্যদের নিয়ে কাজ শুরু করলাম। একাজে আমাকে সহযোগিতা করেছিলেন আমার টিমের ফারুক, অমিত ও প্রনব। যাহোক, প্রস’তি মোটামুটি শেষ হলে আমরা বেশ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বিতর্ক কর্মশালা আয়োজনের জন্য চিঠি দিলাম। প্রথমের সাড়া পেলাম ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কাঞ্চননগর মডেল হাইস্কুল থেকে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব বিসি বিশ্বাস স্যার ও সিনিয়র শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র বিশ্বাস আমাদের এ বিষয়ে যথেষ্ট সহযোগিতা করেছিলেন। তাদের সহযোগিতায় আমরা ক্লাসে ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বিতর্ক কর্মশালায় অংশগ্রহণ করার ও বিতর্ক ক্লাব গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে প্রচারণা চালালাম। তাদের সহযোগিতার জন্য তাদের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। ৪ এপ্রিল ২০১০ তারিখে সর্বপ্রথম বিতর্ক কর্মশালার আয়োজন করলাম আমরা। তাৎক্ষণিকভাবে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-ছাত্রীরা একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতাও করল। অংশগ্রহণকারী ও শিক্ষকদের সমন্বয়ে এগারো সদস্য বিশিষ্ট একটি বিকর্ত ক্লাব গঠিত হলো। বিতর্ক ক্লাবের উদ্দেশ্য ছিল নিয়মিত তারা বিভিন্ন সামপ্রতিক ইস্যু নিয়ে বিতর্ক চর্চা করবে। আমাদের অত্ববিশ্বাস আরও বেড়ে গেল। এরপর ২১ মে ২০১০ তারিখে আমরা ঝিনাইদহ সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিতর্ক কর্মশালা করলাম। এ কর্মশালা পরিচালনায় আমাদের সহযোগিতা করেছিলেন বিদ্যালয়ের দুজন সিনিয়র শিক্ষক নিহার রঞ্জন বিশ্বাস ও শংকর বিশ্বাস। এরপর আমরা একে একে আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকি। স্কুল পর্যায়ে এ পর্যন- আমরা চারটি এবং কলেজ (একাদশ-দ্বাদশ) পর্যায়ে তিনটি বিতর্ক ক্লাব গঠন করতে সক্ষম হয়েছি। প্রতিটি বিতর্ক কর্মশালার প্রচারণার জন্য আমাদের চার-পাঁচ বার করে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যেতে হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক সময়ের সাথে, শিক্ষার্থীদের সময়ের সাথে আমাদের সময়ের সমন্বয় করতে হয়েছে যেটা ছিল আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্র্ণ চ্যালেঞ্জ। আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে আমরা দেখেছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক কাজ করা সবচেয়ে কষ্টকর। কারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠনগুলোতে সারাবছরই বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা থাকে। তাছাড়া অভিভাবগণও চাননা তাদের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া ছাড়া অন্য কোনো কাজে তাদের মূল্যবান সময় ব্যয় করুক। আর আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস’ায়ও লেখাপড়া করা ছাড়া বাড়তি প্রতিভা বিকাশের এধরনের কর্মকান্ড অন-র্ভুক্ত না থাকাটাও একটি বড় ধরনের সমস্যা। কিন’ সব সমস্যাই এড়িয়ে যাওয়া যায় যদি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় সহযোগিতা পাওয়া সম্ভব হয়। যেমনটি আমরা পেয়েছিলাম শিশুকুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও ফজর আলী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় থেকে। শিশুকুঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মিসেস সালমা খানম ও আব্বাস উদ্দিন স্যার এবং ফজর আলী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাদিরা আখতার ও সিনিয়র শিক্ষক কানু গোপাল স্যার যেভাবে আমাদের সহযোগিতা করেছেন যার প্রতিদান দেয়ার সাধ্য আমাদের নেই। মোশাররফ হোসেন কলেজের প্রভাষক মুসা ইব্রাহিম স্যার, ঝিনাইদহ কলেজের অধ্যক্ষ তোবারক হোসেন স্যার এবং প্রভাষক ফিরোজ আল মাহমুদ ও কামরুল হাসান স্যারের কাছেও আমরা কৃতজ্ঞ।
পাশাপাশি বেশকিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমাদের হাতের কাছে থাকা এবং যেগুলোতে আমাদের কাজটি সমপ্রসারণের যথেষ্ট সুযোগ থাকার পরও শুধুমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রশাসনের অসহযোগিতার কারণে আমরা আজও যেখানে বিতর্ক ক্লাব গঠন করতে পারিনি।
আমরা যখন স্কুলে বা কলেজে পড়েছি তখন এধরনের সুযোগ পাইনি বললেই চলে। এখন যারা স্কুল কলেজে পড়ছে তাদের জন্য মেধাবিকাশের একটি ক্ষেত্র প্রস’ত করে দেয়ার সুযোগ আমরা পেয়েছি। আমরা এই সুযোগটাকে কাজে লাগাতে চাই। আমরা চাই আমাদের ভাই-বোনেরা সুস’ চিন-া করুক। তাদের মেধা, সৃজনশীলতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পাক। তারা যুক্তিবাদী হয়ে উঠুক। 
যাহোক, আমার এই কাজকে আমি কখনই আমার একার অর্জন বলে মনে করি না। আমার এ কাজে আমাকে আমার টীমের ফারুক, অমিত, প্রনব, মিজান, সাইদ, ফাতেমা সহ অন্যরা সহযোগিতা না করত। আমি আমার কাজটি দেশের বাইরের বন্ধুদের দেখানোর সুযোগ পেয়েছি গত ১৮-১৯ জানুয়ারি ২০১১ তারিখে পাকিস-ানের রাজধানী ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত রিজিওনাল সিমপোজিয়াম: ‘ইয়ূথ ইন এ্যাকশন ফর গ্লোবাল চেঞ্জ’ এ। সেখানে পাকিস-ান, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, মায়ানমার, আফগানিস-ান, ব্রিটেন ও আমেরিকার ছাত্রছাত্রীরা এসেছিল তাদের কাজগুলোকে আমাদের সবার সাথে ভাগাভাগি করে নিতে। তরুনদের ক্ষমতায়িত করা ও বিভিন্ন নীতি-নির্ধারনী পর্যায়ে তরুনদের সক্রিয় অংশগ্রহন বাড়ানো ক্ষেত্র প্রস’ত করাই ছিল এই সম্মেলনের মূল লক্ষ্য। এই সম্মেলনের আয়োজন করে ব্রিটিশ কাউন্সিল। এ্যাকটিভ সিটিজেন প্রোগ্রামের একজন অংশগ্রহণকারী হিসেবে যে চারজন ইয়ূথ লিডার বাংলাদেশ থেকে ইসলামাবাদে যাবার সুযোগ পায় তার মধ্যে আমি একজন। এটি আমার জীবনের একটি অনন্য অভিজ্ঞতা যা আমাকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে।
সাজ্জাদ হোসেন রিজু,ইয়ূথ এক্টিভিস্ট,ঝিনাইদহ

Advertisements