স্বাস্থ্য সেবার কিছু প্রাথমিক তথ্য

বাড়ি সকলের কাছে নিরাপদ একটি জায়গা। অথচ বাড়িতেও যে কোন সময় কারখানা বা সড়ক দূর্ঘটনার থেকে বড় দূর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে। যেমন – পিছলে পড়ে যাওয়া, পোকা মাকড়ের কামড়ে বিষক্রিয়া, বৈদ্যুতিক শক, আগুনে পোড়া প্রভৃতি। অথচ একটু সচেতন হলেই আমরা এগুলো রোধ করতে পারি। কিংবা প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে পারি। প্রাথমিক চিকিৎসা হলো এমন একটি প্রাথমিক ব্যাপার যার মাধ্যমে কখনোই সম্পূর্ণ চিকিৎসা পাওয়া যায় না। কিন্তু এর মাধ্যমে রোগীকে তাৎক্ষণিক ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা করা যায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে প্রাথমিক সেবার লক্ষণীয় বিষয়গুলো নিম্নরূপ-

  • প্রাথমিক চিকিৎসা দেবার পর যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে অথবা কোন ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।
  • রোগীকে শুস্ক ও আরামদায়ক স্থানে শুইয়ে দিতে হবে। হাত পা ভাঙ্গা থাকলে খুব সাবধানে রোগীকে নাড়াচাড়া করতে হবে।
  • আঘাতের স্থানগুলোতে সাবধানে যত্ন নেয়া এবং হাড় ভাঙ্গার যতদ্রুত সম্ভব ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া।
  • যদি দেখা যায় রোগী দেহের অভ্যন্তরে কোন সমস্যায় পড়েছে তাহলে তাকে খাবার দেয়া উচিত নয়।
  • রোগীর মনোবল বৃদ্ধির জন্য যত সম্ভব তাকে উৎসাহ দিতে হবে। এতে মানসিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে। আঘাতের স্থানগুলো দেখতে না দেয়াই ভাল। এমনকি রোগীর সামনে এ সম্পর্কে আলাপ করাও ঠিক নয়।

(চলমান)

– বায়োজিদ যশোরী

আমরা করব জয়-৪৭

Advertisements