আমরা করব জয়-৬৭

frontpage-issue-67 সম্পাদকীয়
১১ জুন, ২০০৯ জাতীয় সংসদে ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরের বাজেট উপস্থাপন করেন মাননীয় অর্থমন্ত্রী। সর্বমোট ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৮ শত ১৯ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছে। ৩০ জুন দেশের ইতিহাসের বৃহত্তম এই বাজেট পাস হয়। মাঝখানের দু’টি অর্থ বছরের অপ্রত্যাশিত বিরতির পর জাতীয় সংসদে উত্থাপিত এই বাজেটের আকার পূর্ববর্তী বছরের তুলনায় ১৫ শতাংশ বেশি। জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ। প্রস্তাবিত বাজেটে কৃষি ও শিল্পখাতের উন্নয়ন, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, দারিদ্র বিমোচন, শিশু ও নারী উন্নয়নের বৃহত্তর অবকাঠামো নির্মাণ ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ব্যাপক কর্মসূচির প্রতিশ্রুতি রাখা হয়েছে। বৈশ্বিক মন্দা মোকাবিলার জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়েছে।
বাজেটে কী আছে আর কী নাই সেটা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। বাজেটে প্রদত্ত নীতিগত নির্দেশনার উপর নির্ভর করে জনগণের ভাগ্য। তবে বাজেটে বিস্তর ভালো ভালো কথা ও বিপুল বরাদ্দ থাকলেও তা কোনো কাজেই আসে না, যদি সেইগুলো সময়মত বাস্তবায়িত না হয়। মানব সভ্যতার ইতিহাস বলে, বিজ্ঞান কিংবা বিপ্লব সবটাতেই যুবদের অংশগ্রহণ ও নেতৃত্ব অপরিহার্য। দক্ষ যুবগোষ্ঠী তাদের নিজেদের ও পরিবারের গন্ডিকে পেরিয়ে সমাজে নতুন সংস্কৃতির জন্ম দেয়। এই সরকারের সবচেয়ে আলোচিত ও প্রসংশিত অঙ্গীকার হলো ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে মূল ভূমিকা রাখবে তরুণ প্রজন্ম। তরুণ প্রজন্মকে উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কারিগর হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। এইবারের বাজেটে নতুন সংযোজন হিসেবে সরকারী-বেসরকারী অংশীদারিত্বের বিষয়টি নিঃসন্দেহে আশাব্যঞ্জক ও তাৎপর্যপূর্ণ। আমাদের যোগাযোগ ও বিদ্যুৎসহ অত্যাবশ্যক বৃহৎ অবকাঠামোসমূহ নির্মাণে এই সহায়তা যুগান্তকারী অবদান রাখতে পারে। ২০১০ সালে একটি ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে সবচেয়ে বেশি কাজ করবে যুবরাই। আমাদের দায়িত্ব তাদের জন্য একটি সহায়ক পরিবেশ গড়ে তোলা।
সরকার ২০১৫ সালের মধ্যে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই লক্ষ্যসমূহ অর্জনে কোনো কোনো ক্ষেত্রে অর্থের প্রয়োজন হলেও অনেকগুলো ক্ষেত্রে গণজাগরণের মাধ্যমে অগ্রগতি অর্জন সম্ভব। যেমন, সকল ছেলে-মেয়ের স্কুলে ভর্তি ও পড়াশুনা নিশ্চিত করা, শিক্ষার মান উন্নয়ন, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, পরিবেশের উন্নয়ন, আত্ম-কর্মসংস্থান ইত্যাদি অনেক সমস্যা আমরা ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও সমবেত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাধান করতে পারি। এক্ষেত্রে সবচেয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে আমাদের যুবসমাজ। মোট জনসংখ্যার ৩৮ ভাগ যুব, তাই এদেশের যুবসমাজকে অবহেলিত রেখে দেশের উন্নয়ন কখনোই সম্ভব নয়। তাই দেশের উন্নয়নে যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, যুবনীতিকে উন্নত করা, তথ্যপ্রযুক্তির প্রসার, ভাষা শিক্ষা, কমিউনিটি সার্ভিস ইত্যাদি ক্ষেত্রে বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা প্রয়োজন।
জাতীয় বাজেট তরুণদের ভাবনা” শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
প্রত্যাশা প্রতিশ্রুতি ও কার্যক্রম শীর্ষক কর্মশালার খবর
ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং
গণিত উৎসবের খবর
পাঠচক্রের খবর
ফলোআপ সভা
গণিত ক্লাব সভা
বিতর্ক ক্লাব সভা
ইউনিট পুনর্গঠন
আঞ্চলিক পরিকল্পনা সভা
বর্ষবরণ
বিশ্ব তামাক মুক্ত দিবস
পরিবেশ দিবস
ঝিনাইদহে জমজমাট বিতর্ক কর্মশালা
গণশিক্ষার নাটক প্রদর্শন
গণশিক্ষা কার্যক্রম
নৌবিহার
সাধারণ জ্ঞান প্রতিযোগিতা
চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা
কর্মশালা ওরিয়েন্টশন
প্রচারাভিযান
শোকবার্তা
স্বস্তির সংগ্রাম
বীর বাঙ্গালীর দান
রাত্রী
ইয়ূথের স্মরণে
বীর সেনার দল
Advertisements