প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতি ও কার্যক্রম শীর্ষক কর্মশালার খবর

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল এস.ই. পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৪৮ জন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণে গত ২ এপ্রিল প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতি ও কার্যক্রম শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এটি আয়োজন করেন ভিটিআর জনাব সিরাজুল ইসলাম বাদল এবং মালেকা বেগম। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার মাহবুব ও ইয়ূথ এক্টিভিস্ট সোহাগ। সবশেষে সারমিন আক্তারকে কোঅর্ডিনেটর নির্বাচিত করা হয়। সদস্যরা সামাজিক ঋণ শোধ করার লক্ষ্যে নিজের ও সমাজের পরিবর্তনের জন্য দুই মাসের একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।

১১ এপ্রিল কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারীর এ.এম. পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণীর ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একটি কর্মশালা। তাদের অংশগ্রহণ ও প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে, মানুষ হিসেবে আমরা যে সামাজিকভাবে ঋণী, সামাজিক ঋণ শোধ করার জন্য আমাদের কেমন মানুষ হওয়া দরকার এ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। তারা সমাজ সেবামূলক কাজের সাথে যুক্ত হয়ে কাজ করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ হন এবং দুই মাসের একটি কর্মপরিকল্পনা হাতে নেন।

১২ এপ্রিল চিলমারী পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৩০ জন ছাত্রীর অংশগ্রহণে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মশালা শেষে মোছাঃ নুসরাত বিনতে ইমদাদ দিতিকে কোঅর্ডিনেটর করে ‘আলোর দিশারী’ নামে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন মরিয়াম, আনসারি, সোনিয়া, আইরিন, লাবনী, জ্যোতি, শারমিন ও রিয়া। তারা আগামী দুই মাসের একটি কর্মপরিকল্পনা হাতে নেয়।

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানাধীন চুকনগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে ৩০ জন ছাত্রীর অংশগ্রহণে গত ২৩ এপ্রিল একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আশুতোষ মন্ডল ও পরিচালনা করেন আবু হাসান। অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে গণিতের শিক্ষক শ্রী জয়দেব কুমার নন্দী বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতার বিষয়টি কখনো এত গভীরভাবে ভাবিনি, যদি ভাবতাম তাহলে দেশ ও দশের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতাম। অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে আফসানা বলেন, আমরা সামাজিক ঋণ থেকে মুক্তি চাই, এই মুক্তির পথ যতই দুর্গম হোক না কেন সামাজিক দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে আমরা অগ্রসর হবোই। পরে আফসানা কাদিরকে কোঅর্ডিনেটর করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কর্মশালাটি আয়োজন করেন এইচ.এম.এস. ইউনিটের সদস্য বাপ্পী, বিশু ও মধুসূদন।

নাটোর এন.এস. কলেজের শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে রাজশাহী সিটি ইউনিটের পরিচালনায় গত ২ মে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ২৩ জন ছাত্র ও ২ জন ছাত্রী ছাড়াও ২ জন অভিভাবক এই কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন। এই কর্মশালার মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভিতর সামাজিক দায়বদ্ধতাবোধ সৃষ্টি হয়। তারা এই সামাজিক ঋণ শোধ ও নিজেদের বিকশিত করার জন্য ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ এর অনুপ্রেরণায় ‘বনলতা সেন’ নামে একটি ইউনিট গঠন করে। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট মোঃ মাসুদুল করিম মাসুদ।

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া থানাধীন বাদুড়িয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত ৪ মে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী ও ৬ জন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব মোঃ রমজান আলী মোড়ল ও পরিচালনা করেন সাথী, প্রকাশ, দেবব্রত ও হাসান। এই আয়োজনের ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব দেখা যায় এবং তারা সমাজকে কিছু দেবার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। সবশেষে হাবিবুর রহমানকে কোঅর্ডিনেটর করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

১২ মে নেত্রকোনা সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা আয়োজন করা হয়। কর্মশালার মধ্য দিয়ে ছাত্রীরা সামাজিক দায়বদ্ধতা চিহ্নিত করে বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডের সাথে সম্পৃক্ত থেকে দেশকে দারিদ্র মুক্ত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়। পরে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি ইউনিট গঠন করা হয়। অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা বলেন, আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত এধরনের কর্মকান্ডে সহায়তা করা, যাতে ছাত্র-ছাত্রীরা লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করতে পারে। এর মধ্য দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা মেধা শূন্য হবে না বরং মেধা সম্পন্ন হতে পারবে। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট মোঃ শাহজাহান কবির, সহায়তা করেন চৌধুরী স্নিগ্ধা ও আয়োজন করেন মাহবুব রহমান খান রৌদ্র।

আকাশ ছিল মেঘলা, গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিও পড়ছিল, এমন বৈরী আবহাওয়ার মাঝেও আমবাড়ীর একদল ছাত্র-ছাত্রী ১৩ মে সকাল ১১টায় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদে উপস্থিত হয়। তিন ঘন্টা কর্মশালার আলোচনার মধ্য দিয়ে তারা এদেশের পরিবর্তনে নিজেদের অংশগ্রহণের অঙ্গীকার করে। আগামী দুই মাসের পরিকল্পনা হিসেবে তারা লেখাপড়ার পাশাপাশি অবসর সময়ে সমাজের নিরক্ষর মানুষগুলোকে স্বাক্ষরতার আলো দেখানো ও গণসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষাকারী গাছ লাগাতে উৎসাহিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। আর নিজেদের প্রতিভা বিকাশের জন্য পাঠচক্র ও বিতর্ক প্রতিযোগিতা আয়োজন করবে।

২৬ মে পাবনার সরকারী এডওয়ার্ড কলেজের রোভার স্কাউটের রুমে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ৩১ জন ছাত্র ও ৮ জন ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। ইয়ূথ এক্টিভিস্ট আব্দুল্লাহ আল মামুন সুমন, ইয়ূথ লিডার মেহেদী হাসান, শরিফুল ইসলাম মিলন ও মাহমুদুল হাসান তুহিনের পরিচালনায় কর্মশালাটির মধ্য দিয়ে কলেজ ইউনিটের নতুন সদস্য সৃষ্টি করা হয়।

শিক্ষার্থীদের চিন্তা চেতনার বিকাশ, সামাজিক দায়বদ্ধতাবোধ জাগানো ও স্বেচ্ছাব্রতী মানসিকতায় গড়ে তোলা এবং জাতিসংঘ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ পূরণের জন্য গত ৩১ মে সকালে রাজশাহী কলেজের গ্রন্থাগার ভবনে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী সিটি ইউনিটের আয়োজনে কর্মশালায় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ৫৩ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। আবুল হাসনাত বলেন, আমি সমাজের কাছে দায়বদ্ধ তা আমার জানা ছিল না, এই কর্মশালায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে আমার জানার পরিধি অনেক বেড়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ ড. আলী রেজা মোহাম্মদ আব্দুল মজিদ উপস্থিত শিক্ষার্থীদেরকে দেশ সেবায় মনোনিবেশ ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান এবং সেই সাথে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের সকল কাজে তার সহযোগিতা থাকবে বলে আশ্বাস দেন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট মাসুদুল করিম মাসুদ, মাহবুবুল আলম ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী সুব্রত কুমার পাল।

৪ জুন নড়াইল জেলার লক্ষ্মীপাশা আদর্শ বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিদ্যালয়ের ৮২ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে এনামুলকে কোঅর্ডিনেটর ও রহিমা আক্তারকে যুগ্ম কোঅর্ডিনেটর করে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। ইউনিট সদস্যরা আগামী এক মাসের পরিকল্পনা করেন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট শাহীন মাহমুদ। অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জনাব অমলেন্দু স্যার বলেন, আমরা যদি সামাজিক দায়বদ্ধতাকে স্বীকার করি তাহলে আমরা ভালো মানুষে পরিণত হতে পারবো।

এদিকে ৫ জুন রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রী কলেজ প্রাঙ্গনে আরেকটি কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ক্ষুধা, দারিদ্রমুক্ত ও আত্মনির্ভরশীল দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে জাতিসংঘ সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহ ও তা অর্জনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। উক্ত কর্মশালায় কলেজের ২৭ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালা শেষে ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং এর বিভিন্ন দিক এবং প্রশিক্ষণ পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার ইউসুফ আলী, রাশেদ নিজাম রাজিব ও মনোয়ারা খাতুন নূপুর।

৬ জুন কুমিল্লার লাকসামে উত্তরদা ইউনিয়নে উত্তরদা উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৩৬ জন ছাত্রী ও ১৩ জন ছাত্র অংশগ্রহণ করেন। উম্মে খাদিজাতুন কোবরা আপনকে কোঅর্ডিনেটর করে একটি নতুন ইউনিট গঠন করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন রাজিয়া ও নিজামউদ্দিন। পরবর্তী পরিকল্পনায় তারা বৃক্ষরোপন কার্যক্রম হাতে নেয়।

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ এর কাজকে আরো এগিয়ে নেয়ার জন্য গত ৮ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারী কলেজে কর্মশালার মধ্য দিয়ে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। ১৪ সদস্যের কমিটিতে মোঃ মুস্তাক আহম্মেদকে কোঅর্ডিনেটর ও মোঃ জীবন মিয়াকে যুগ্ম কোঅর্ডিনেটর নির্বাচিত করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট এম.আর. হাসান রাশিদ ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী আব্দুল হালিম।

১০ জুন ভোমরাদহ উচ্চ বিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একটি কর্মশালা। তিন ঘন্টার বিশদ আলোচনার মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা সমাজের প্রতি তাদের দায়িত্ব সম্পর্কে বুঝতে পারে। অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে পপি বলেন, আমরা আজও জানতাম না যে, আমাদের লেখাপড়ার পিছনের একজন ফকিরেরও অবদান রয়েছে। সর্বসম্মতিক্রমে জাকির আহমদকে কোঅর্ডিনেটর ও মেহেদী হাসানকে সহ-কোঅর্ডিনেটর করে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। ১১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির সদস্যরা সক্রিয়ভাবে সংগঠনের কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।

ঠাকুরগাঁও সরকারী কলেজে গত ১২ জুন অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একটি কর্মশালা। এতে বিভিন্ন বিভাগের ৩৫ জন ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন। তারা পরবর্তী এক মাসের কর্ম-পরিকল্পনা হাতে নেয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট হাসানুর রহমান হাসান ও জ্যোৎস্না পারভীন শিফা।

একই দিনে ইয়ূথ এক্টিভিস্ট হাসানুর রহমান হাসানের পরিচালনায় নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। তিন ঘন্টা আলোচনার মাধ্যমে তারা অঙ্গীকারাবদ্ধ হন যে এদেশের ক্ষুধা ও দারিদ্র দূর করা সম্ভব এবং ছাত্র-সমাজই এর কারিগর ।

১৩ জুন ভাওলাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে স্থানীয় উজ্জীবকদের আয়োজনে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। তিনঘন্টার প্রাণবন্ত আলোচনার মধ্য দিয়ে তারা ছাত্রসমাজের গৌরবময় ইতিহাস সম্পর্কে সজাগ হয়ে ওঠে। একমাত্র ছাত্র-ছাত্রীরাই দেশ থেকে সকল প্রকার বৈষম্য, দুর্নীতির মত ব্যাধি নির্মূল করতে ভূমিকা রাখতে পারে। ৮ জন ছাত্রী ও ২২ জন ছাত্রের অংশগ্রহণে কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট হাসানুর রহমান হাসান।

ক্ষুধামুক্তির আন্দোলনকে বেগবান করার লক্ষ্যে ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সামাজিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টির জন্য ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার খুলনা অঞ্চলের উদ্যোগে সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার কয়লা ইউনিয়নের কয়লা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ২৯ জন ছাত্র ও ৩১ জন ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। আরো উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব আব্দুর রউফ, সহকারী শিক্ষক জনাব ইসহাক আলী ও জনাব আব্দুর সাত্তার। শেফালীকে কোঅর্ডিনেটর করে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট মোঃ মোক্তার হোসেন, আয়োজনে সহযোগিতা করেন সাতক্ষীরা সদর ইউনিটের কালাম ও শান্তা।

কুষ্টিয়া জেলার মজমপুর ইউনিয়নে গত ১৮ জুন একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার আসাদুজ্জামান ও ইয়ূথ এক্টিভিস্ট মাহমুদ হাসান। সর্বসম্মতিক্রমে মোঃ রতন ইসলামকে কোঅর্ডিনেটর করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

২৬ জুন রাজশাহী চাঁদনী চক শপিং কমপ্লেক্স এর রোটেরেক্ট ক্লাব কার্যালয়ে আরেকটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৬ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালায় সামাজিক দায়বব্ধতাবোধসহ মিলেনিয়াম ডেভলপমেন্ট গোলস্ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট মাসুদুল করিম মাসুদ ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী সুব্রত কুমার পাল।

রিপোর্ট: সোহাগ, হাসানুর রহমান হাসান, আল ইমরান, আবু হাসান, দেবব্রত কুমার শুভ, শরিফুল ইসলাম, মোঃ মাসুদুল করিম মাসুদ, মোঃ শাহজাহান কবির, শাহীন মাহমুদ, রাজিয়া, মাহমুদ হাসান, মোঃ মোক্তার হোসেন ও মাহবুবুল আলম।

আমরা কবর জয়-৬৭

Advertisements