টিকা দিবস

৩ জানুয়ারি, ২০০৯ সারাদেশে পালিত হলো ১৭তম জাতীয় টিকা দিবসের দ্বিতীয় রাউন্ড। বাংলাদেশকে পোলিও মুক্ত রাখতে সাঁথিয়া উপজেলার হাঁড়িয়াকাহন গ্রামের ডিসকভারী ইউনিটের সক্রিয় সদস্যরা স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে ২টি কেন্দ্রে টিকাদান কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। ০-৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে দু’ফোঁটা পোলিও টিকা এবং ২-৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। শুধু সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই নয়, নিজের দায়িত্ব হিসেবেই ইয়ূথ সদস্যরা এই কাজগুলো করে থাকে। এই সময় উপস্থিত ছিলেন ইয়ূথ লিডার আব্দুল্লাহ আল মামুন সুমন এবং সহযোগিতা করেন ইউনিট কোঅর্ডিনেটর মোঃ শামীম হোসেন, সাংগঠনিক সদস্য মোঃ কওছার আলী, সেলিম, আলামিন, হোসনুল্লাহ ও পলি।

একই দিনে পোলিও মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে সারা দেশের মত কটিয়াদীতেও পালিত হয়েছে জাতীয় টিকা দিবসের দ্বিতীয় রাউন্ড। এতে কটিয়াদী উপজেলা ইউনিট, জয়ন্তী, তারুণ্য, নক্ষত্র, ফুটন্ত কলি ও ডা. আঃ মান্নান মহিলা কলেজ ইউনিট এর ৪০ জন ইয়ূথ সদস্য অংশগ্রহণ করেন। তারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কটিয়াদী পৌরসভার ৯টি টিকাদান কেন্দ্রে জাতীয় টিকা দিবসের ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করেন। ০-৫ বছরের ১৫০০ শিশুকে পোলিও টিকা ও ২-৫ বছর বয়সী ১৭৯০ জন শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানো হয়। এই কার্যক্রমটি সার্বিক সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন ইয়ূথ লিডার মোজাম্মেল হক। আয়োজনটি সফল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন হাকিকত, তাজরিন, তাহমিনা, তানিয়া, সম্পা, জান্নাতা জামান, তাছলিমা, রুবেল, কামরুল ও জুয়েল।

রিপোর্ট: আব্দুল্লাহ্ আল মামুন সুমন, মোজাম্মেল হক।

আমরা করব জয়-৬৬

Advertisements

One comment

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে।