শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার

5

সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন সকালে শিক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এটি দুই অংশে বিভক্ত ছিল। প্রথম অংশের আলোচনা ছিল জাতীয় স্বাক্ষরতা প্রচারাভিযান বিষয়ে, যা কিনা ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার এর একদল তরুণ স্বেচ্ছাব্রতীর নেতৃত্বে তৃণমূল পর্যায়ে শুরু হয়েছে। আলোচনার এ অংশটি ছিল, যারা ২০০৮ সালে সফলভাবে এ কার্যক্রমটি পরিচালনা করেছে তাদের স্বীকৃতি দেবার একটি আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং অপরদিকে অন্য সকলের মধ্যে প্রত্যাশা তৈরি করার একটি গভীর আহ্বান। ছাত্র-ছাত্রীদের স্বেচ্ছাব্রতী নেতৃত্বে পরিচালিত কুষ্টিয়ার একটি গণশিক্ষা কেন্দ্রের একজন গৃহিণী শিক্ষার্থী তার সফলতার কথা সকলকে শুনিয়ে এ কার্যক্রমটি বিস্তারের বিষয়টিকে মূর্ত করে তোলেন। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে সম্মানিত মডারেটর হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক এবং বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক মঈনুল ইসলাম। সম্মানিত অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. কাজী মারুফুল ইসলাম, সমাজকর্মী জনাব তাজিমা হোসেন মজুমদার, ইডেন মহিলা কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নুরজাহান বেগম।

সেশনের দ্বিতীয় অংশে মানসম্মত শিক্ষা আন্দোলন বিষয়ে অংশগ্রহণমূলক একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ই-গর্ভনেন্স বিষয়ক পলিসি এডভাইজার জনাব আনীর চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও পরিচালনায় মানসম্মত শিক্ষা মাঠ পর্যায়ে যে স্বেচ্ছাব্রতীরা কাজ করছে, তারা তাদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। এরপর প্যানেল আলোচকদের আলোচনা ও অংশগ্রহণকারীদের শিক্ষা বিষয়ক বিভিন্ন প্রশ্নোত্তরে পুরো প্রক্রিয়াটি হয়ে ওঠে অংশগ্রহণমূলক শিক্ষণ পদ্ধতির একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত। প্যানেল আলোচক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের গবেষণা কর্মকর্তা জনাব মুরশিদ আক্তার, ঢাকার লালবাগ থানার শিক্ষা অফিসার জনাব এরশাদ উদ্দিন আহমেদ, ঢাকার সাভার উপজেলার শিক্ষা অফিসার জনাব মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ এবং ঝিনাইদহের আদর্শ পাঠশালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব শাহিনা আফরোজ।

আমরা করব জয়-৬৬

Advertisements

One comment

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে।