প্রশিক্ষণের খবর

ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং

৬৫তম
শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার ৬ নং হাতিবান্দা ইউনিয়নে গত ১২-১৫ ডিসেম্বর, ২০০৮ তারিখে ৬৫তম ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে সামাজিক দায়বদ্ধতা সৃষ্টির মধ্য দিয়ে এ সমাজ তথা দেশের জন্য কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়। জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে প্রশিক্ষণটি উদ্বোধন করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব শামসুল হক। এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন ‘সুজন’ শেরপুর জেলা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আবু জাফর, ঝিনাইগাতী সুজনের সভাপতি মোঃ মকবুল হোসেনসহ আরো অনেকে। উক্ত প্রশিক্ষণটিতে ৪১ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। এতে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট আল-মারুফ, অলক সরকার, সব্যসাচী সরকার ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী মোঃ আসলাম খান।

৭১তম
শরৎ বিদায় নিল, হেমন্ত তার বার্তা নিয়ে বাংলার প্রকৃতিতে হাজির। হেমন্তের উষালগ্নে গাইবান্ধা সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ইউনিটের একদল তরুণ স্বেচ্ছাসেবী লিডার হবার প্রস্তুতি নিল। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২৫-২৮ নভেম্বর, ২০০৮ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ৭১তম ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং। এতে ৫০ জন অংশগ্রহণ করেন। এই প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে তারা আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। তারা নিজ নিজ এলাকায় গিয়ে নিজের গ্রামটিকে স্বপ্নের গ্রাম হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকার করেন। প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন মারিফুল হক শাওন, হাসানুর রহমান হাসান, রাজেশ দে রাজু ও তহুরুল হাসান টুটুল। প্রশিক্ষণটি আয়োজন করেন জাহাঙ্গীর আলম। প্রশিক্ষণ শেষে ইয়ূথ লিডারদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন বিশিষ্ট সাংবাদিক উজ্জল চক্রবর্তী ও আবু নাছের সিদ্দিক তুহিন।

৭৫তম
আত্মশক্তির উন্মেষ, আত্মমর্যাদাপূর্ণ ভবিষ্যৎ সৃষ্টি, স্বয়ংক্রিয় নেতৃত্বের বিকাশ এবং ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকারের মধ্য দিয়ে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনায় ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-ঝিনাইদহ সদর ইউনিটের উদ্যোগে গত ২-৫ ফেব্রুয়ারী, ২০০৯ ঝিনাইদহের ফজর আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হলো ৭৫ তম ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং। এতে জেলার ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়) ৬৫ জন শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। যার মধ্যে নারী অংশগ্রহণকারী ছিল ৩৫ জন। চার দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ শেষে প্রশিক্ষণার্থীরা সামাজিক দায়বদ্ধতাবোধে উজ্জীবিত হয়ে সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এলাকা ভিত্তিক সুনির্দিষ্ট কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন করেন।

হাটি হাটি পা পা করে ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং এর ৭৫তম আয়োজন সম্পন্ন হলো। তাইতো এই প্রশিক্ষণকে প্রাণবন্ত ও বৈচিত্রময় করে তুলতে আয়োজকদের যেন আন্তরিকতা ও প্রস্তুতির কোন কমতি ছিল না। ব্যতিক্রমী নানা উদ্যোগে পুরো ক্যাম্পাসটি সেজে উঠেছিল নতুন আঙ্গিকে। ২ ফেব্রুয়ারী, ঘড়ির কাটা ঠিক ৯টা, ইতিমধ্যে আমন্ত্রিত অতিধিবৃন্দ এবং অংশগ্রহণকারীদের সরব উপস্থিতিতে মিলনায়তন কানায় কানায় পূর্ণ, দেশের প্রতি শ্রদ্ধা এবং অকুন্ঠ ভালবাসায় সকলের কন্ঠে ধ্বণিত হয় জাতীয় সংগীত। এরপর ‘আলো আমার আলো…, আগুনের পরশমনি ছোঁয়াও প্রাণে, মঙ্গল প্রদীপ জ্বালো ঘরে ঘরে’ গানের সঙ্গে রজনীগন্ধার ফুলেল শুভেচ্ছা এবং মোমের আলোয় বরণ করে নেওয়া হয় আলোর কণাদের। মঙ্গল প্রদীপ জ্বেলে প্রশিক্ষণের শুভ সূচনা করেন সচেতন নাগরিক কমিটির আহবায়ক ও ইউনিটের উপদেষ্টা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এন.এম. শাহজালাল। এ সময় তৈরি হয় অন্যরকম এক আবহ যা উপস্থিত সুধীজন ও প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মন সিক্ত করেছিল, যারা দেশকে ভালবেসে ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার ব্রত নিয়ে সামিল হয়েছেন এই প্রাণের মেলায়।

অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে সাফিয়া বিনতে মাহাবুব মিষ্টি বলেন, এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করার মধ্য দিয়ে আমি যেন স্বপ্ন পূরণের সিঁড়ি খুঁজে পেলাম। কাজী হাসান মুজাহিদ বলেন, নিজের উপলব্ধি থেকে নিজেকে যাচাই করার যে প্রক্রিয়া তা আমার একেবারেই অজানা ছিল। এখন মনে হচ্ছে আমি একজন পরিপূর্ণ মানুষ। আমার দ্বারা অনেক কিছু করা সম্ভব। শারমিন আক্তার রাখি তার প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন সেশনটি আমার মনে গভীর ভাবে দাগ কেটেছে। আগে নারীর ক্ষমতায়নের কথা বলতাম, কিন্তু নারীর ক্ষমতায়নের প্রকৃত অর্থ এখান থকে জানতে পেরেছি। এজন্য আমি ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের কাছে কৃতজ্ঞ। সমাপনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন ফজর আলী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জনাব নাদিরা আক্তার।

প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট শাহীন মাহমুদ ও অশোক বিশ্বাস, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী মোঃ খোরশেদ আলম, আব্দুস সবুর খান, রওশন আরা লীনা ও মোঃ মাজেদুল ইসলাম। প্রশিক্ষণটি সার্বিকভাবে সমন্বয় করেন ঝিনাইদহ সদর ইউনিটের কো-অর্ডিনেটর ফারুক হোসেন শাওন। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম আর ভালবাসায় প্রশিক্ষণটি স্বার্থক হয়েছে তারা হলেন, মিজান, আমিনুল, লিটন, অমিত, রাজিব, শিল্পী প্রমুখ।

৭৯তম
টাঙ্গাইল জেলায় ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের ঝিমিয়ে পড়া কার্যক্রমকে বেগবান করতে, টাঙ্গাইল হোমিও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২২-২৫ মার্চ, ২০০৯ অনুষ্ঠিত হয় ৭৯তম ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং। সরকারী সা’দত কলেজ ইউনিটের উদ্যোগে আয়োজিত প্রশিক্ষণে শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মহাবিদ্যালয় ও সা’দত কলেজ ইউনিটের মোট ৪৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় কন্যাশিশু এডভোকেসি ফোরামের আহ্বায়ক জনাব শামসুন্নাহার শান্তি, উক্ত প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ ডাঃ শাহিদা আলম। চতুর্থ দিনের শেষে প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদপত্র তুলে দেন টাঙ্গাইল জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ড. মোঃ আবুল হাসান, সুজন এর টাঙ্গাইল শাখার আহ্বায়ক জনাব খান মোহাম্মদ খালেদ ও সরকারী সা’দত কলেজের ব্যবস্থপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান জনাব দেবাশীষ দত্ত। এতে প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ইয়ূথ লিডার সুবোধ কুমার গোপ, ইয়ূথ এক্টিভিস্ট সোহাগ, চতুর্দশ জাতীয় সম্মেলন কমিটির আহ্বায়ক সব্যসাচী সরকার ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী সৈয়দ মোঃ নাছির উদ্দিন।

জানুয়ারি-মার্চ পর্যন্ত আরো যেসব স্থানে ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং অনুষ্ঠিত হয়েছে-

কত তম তারিখ স্থান অংশগ্রহণকারী সংখ্যা প্রশিক্ষক
৭৩তম ৮-১১ জানুয়ারি, ২০০৯ সুন্দলী এস.টি. স্কুল এন্ড কলেজ, অভয়নগর, যশোর ছাত্র- ৩৩
ছাত্রী- ৩০
মোট- ৬৩
অশোক, শাহীন, আলাউদ্দিন, শাওন, খোরশেদ, লীনা ও মাজেদ
৭৪তম ২৪-২৭ জানুয়ারি, ২০০৯ ৩ নং কিরাটন ইউনিয়ন পরিষদ, করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ ছাত্র- ১৭
ছাত্রী- ২৪
মোট- ৪১
অলক, মারুফ, শফিক, এনায়েত, অগ্র, জয়ন্ত ও মাজেদ
৭৬তম ৩-৬ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব, নোয়াখালী ছাত্র- ২৪
ছাত্রী- ০৫
মোট- ২৯
শুভ্র, সব্যসাচী, বাসার ও টুটুল
৭৭তম ৮-১১ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রামজীবন পুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ ছাত্র-২৫
ছাত্রী- ১১
মোট- ৩৬
রুবেল

রিপোর্ট: মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সোহাগ, অশোক বিশ্বাস, মোঃ আসলাম খান।

ইয়ূথ এক্টিভিস্ট ট্রেনিং
দেশের ঐতিহ্য আর হারানো গৌরব পুনরুদ্ধার এবং ক্ষুধামুক্ত আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার দৃপ্ত অঙ্গীকার ঘোষণার মধ্য দিয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় সম্পন্ন হলো চতুর্থ ইয়ূথ এক্টিভিস্ট ট্রেনিং। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ, ২০০৯ পর্যন্ত ঢাকার শ্যামলীতে ইউএসটি মিলনায়তনে এক উৎসব মুখর পরিবেশে প্রশিক্ষণটি অনুষ্ঠিত হয়। দেশের ৬টি বিভাগ থেকে বাছাইকৃত ২৮ জন ইয়ূথ লিডার এতে অংশগ্রহণ করেন। যার মধ্যে ৭ জন নারী ও ২১ জন পুরুষ। এই প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য ছিল একদল স্বেচ্ছাব্রতী প্রশিক্ষক সৃষ্টি করা, যারা ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ এর সকল প্রশিক্ষণ পরিচালনায় দক্ষ হবেন এবং একজন স্বয়ংক্রিয় নেতা হিসেবে নারীকে অগ্রাধিকার দিয়ে ইউনিয়ন ভিত্তিক গণজাগরণ বেগবান করতে এক/একাধিক জেলার দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। দিন বদলের স্বপ্ন আর একরাশ প্রত্যাশা নিয়েই ছয় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণটির শুভ সূচনা হয়।

কিছুটা প্রতিকূলতা আর সাধ্যের সীমাবদ্ধতা থাকলেও ভালোবাসার বন্ধন আর প্রাণের উৎসবে মেতে অংশগ্রহণকারীরা সেটা কাটিয়ে উঠতে মোটেও কার্পণ্য করেন নি। বরং একদিকে যখন চলছে পিলখানার বর্বরোচিত ঘটনা, অন্যদিকে তখন চলছে জ্ঞান পিপাসু স্বেচ্ছাব্রতী ইয়ূথ সদস্যদের নতুন মন্ত্রে দীক্ষা গ্রহণ পর্ব। চারিদিকে স্বজন আর শুভাকাঙ্ক্ষীদের উদ্বেগ-উৎকন্ঠা; তবুও বিন্দুমাত্র বিচলিত নয় তারা। কারণ, তাদেরকে যে সবসময় কঠিন চ্যালেঞ্জ আর পাহাড় সমান বাধা মোকাবেলা করেই সামনে এগুতে হবে। তাই এক বুক স্বপ্ন আর প্রবল সাহস বুকে নিয়েই নিয়ম-শৃঙ্খলা, জ্ঞানার্জন, সৃষ্টিশীলতার বিকাশ আর বুদ্ধি বিবেক ও চিন্তাকে শানিত করার দীক্ষায় দিক্ষিত হবার প্রাণান্তকর চেষ্টা করে যান। সকাল ৯টা থেকে শুরু করে গভীর রাত অবধি চলতে থাকে আলোকিত মানুষ হয়ে ওঠার প্রাণপণ চেষ্টা। এ যেন যুদ্ধ জয়ের চেয়ে কোন অংশেই কম নয়……।

ছয় দিনব্যাপী প্রশিক্ষণটি পরিচালনা করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্ট এর গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদার, দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী জমিরুল ইসলাম, কাজী ফজলে মওলা, তুহিন আফসারী, কাজী ফাতেমা বর্ণালী, মাহমুদ হাসান রাসেল, মোঃ মাজেদুল ইসলাম, মোঃ তহুরুল হাসান টুটুল, ইন্দ্রাণী কুন্ডু, ইয়ূথ এক্টিভিস্ট শাহীন মাহমুদ। এছাড়াও প্রশিক্ষণের বিভিন্ন সময়ে অতিথি হিসেবে যুক্ত হন নাছিমা আক্তার জলি, তাজিমা হোসেন মজুমদার, এলিজাবেথ রোলেভিঙ্ক, শর্মী হুদা, মুনীর হাসান, মুজাহিদুল ইসলাম নয়ন, শশাঙ্ক বরণ রায়, অরূপ, প্রণব, হেদায়েত, জামিল, মানিক, অলক, সব্যসাচী। প্রশিক্ষণটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ইভেন্ট ম্যানেজারের দায়িত্ব পালন করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট অশোক বিশ্বাস। চতুর্থ ইয়ূথ এক্টিভিস্ট ট্রেনিং এ সবদিক বিবেচনায় শ্রেষ্ঠ এক্টিভিস্ট নির্বাচিত হন যৌথ ভাবে জয়পুরহাট জেলার সুবেহ্ সাদিক বন্না ও খুলনা জেলার মোঃ মোক্তার হোসেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে সকলের হাতে সনদপত্র তুলে দেন ড. বদিউল আলম মজুমদার।

রিপোর্ট: অশোক বিশ্বাস।

আমরা করব জয়-৬৬

Advertisements

About John Coonrod

Executive Vice President, The Hunger Project
This entry was posted in কার্যক্রম, প্রশিক্ষণ and tagged . Bookmark the permalink.

One Response to প্রশিক্ষণের খবর

  1. পিংব্যাকঃ আমরা করব জয়-৬৬

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে।