প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতি ও কার্যক্রম শীর্ষক কর্মশালার খবর

‘ধরেছি হাল তুলেছি পাল / ছিঁড়বোই সব বাঁধার জাল / ভাঙ্গবো সকল অনিয়ম আর ত্রুটি / ক্ষুধা-দারিদ্র তোমাদের জানাবো ছুটি।’ ক্ষুধা, দারিদ্র আর সকল অনিয়মকে চিরতরে বিদায় জানাতে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ একদল স্বেচ্ছাব্রতী তরুণ নেতৃত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে নীরবে কাজ করে যাচ্ছে। এই কাজের গতিকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে গত ১৯ নভেম্বর, ২০০৮ তারিখে টাঙ্গাইলের করটিয়ায় সরকারী সা’দত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতি ও কার্যক্রম শীর্ষক এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মশালার উদ্বোধন করেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব সৈয়দ মোঃ শরীফ ইস্পাহানী। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বঙ্গের আলীগড় নামে খ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এবং দেশের সৎ ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে এই কর্মশালা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। এতে বিভিন্ন বিভাগের ৩০ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। উক্ত কর্মশালাটি আয়োজন করেন মাহবুব, মৃদুল, আল-আমিন, রঞ্জু ও খাইরুল। পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার সোহাগ ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী সৈয়দ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন। পরে সর্বসম্মতিক্রমে জুবায়ের হাসান রবিনকে কোঅর্ডিনেটর নির্বাচন করা হয়।

পাবনা জেলার সাঁথিয়া উপজেলার হাঁড়িয়াকাহন গ্রামের হাঁড়িয়াকাহন মাদ্রাসা প্রাঙ্গনে গত ১ জানুয়ারি, ২০০৯ একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। শীতের মিষ্টি রোদে একটি গাছের তলায় বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ২৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণে কর্মশালাটি শুরু হয় সকাল দশটায়। তিন ঘন্টা ব্যাপি কর্মশালা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে মোঃ শামীম হোসেনকে কোঅর্ডিনেটর নির্বাচিত করে ‘ডিসকভারী’ নামে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার আব্দুল্লাহ্ আল মামুন সুমন। সহযোগিতা করেন শামীম, মামুন, কাওছার, পলি, মইনুলসহ আরো অনেকে।

একই দিনে কিশোরগঞ্জ জেলার কটিয়াদী থানার অন্তর্গত কটিয়াদী পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অষ্টম ও নবম শ্রেণীর ৪০ জন ছাত্র অংশগ্রহণ করেন। মাহবুবুর রহমানকে কোঅর্ডিনেটর করে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বিদ্যালয়ের সিনিয়র সহকারী শিক্ষক জনাব বদিউল আলম মাহফুজ বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি সমাজ উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করলে তোমরা মেধা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করতে পারবে। এটা সত্যিই জীবন গড়ার জন্য এক অপূর্ব সুযোগ। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার মোজাম্মেল হক ও তানিয়া নাছরিন বর্ণালী। আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন মাহবুবুর রহমান, শামীম, মামুন ও রফিক।

কটিয়াদী উপজেলা ইউনিটের উদ্যোগে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজ জিমনেশিয়াম মাঠে ৫ জানুয়ারি একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে এডভান্স মডেল রেসিডেন্সিয়াল কলেজ, মুমিনুন্নেছা কলেজ, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম কলেজ, ময়মনসিংহ জিলা স্কুল ও আনন্দমোহন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ৪০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। সর্বসম্মতিক্রমে আরমান হায়দারকে কোঅর্ডিনেটর করে শিখন নামে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার মোজাম্মেল হক ও নজরুল ইসলাম, আয়োজনে সহযোগিতা করেন আরমান হায়দার।

৬ জানুয়ারি ঝিনাইদহের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিশুকুঞ্জ স্কুল এন্ড কলেজে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। এতে ৩০ জন ছাত্র ও ৩০ জন ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ আব্বাস উদ্দীন আহমেদ কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন। পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট ফারুক হোসেন শাওন, অশোক বিশ্বাস ও ইয়ূথ লিডার আমিনুল ইসলাম। কর্মশালাটি আয়োজন করেন ইয়ূথ লিডার মোঃ মিজানুর রহমান মিজান। সর্বসম্মতিক্রমে মোঃ সাহাদত হোসেনকে কোঅর্ডিনেটর এবং সাফিয়া বিনতে মাহবুব মিষ্টিকে যুগ্ম কোঅর্ডিনেটর করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

ঝিনাইদহের সাধুপতিরাম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে গত ৭ জানুয়ারি একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণীর ৪৫ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জনাব সনৎ কুমার বিশ্বাস। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট ফারুক হোসেন শাওন, ইয়ূথ লিডার মিজান ও লিটন। আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন কাজী হাসান মুজাহিদ ও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। পরে মিলন অধিকারীকে কোঅর্ডিনেটর করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি করা হয়।

টাঙ্গাইল জেলার ঘাটাইল উপজেলার খায়েরপাড়া গ্রামের শহীদ সালাম উচ্চ বিদ্যালয়ে ১০ জানুয়ারি একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অষ্টম থেকে দশম শ্রেণীর প্রায় ৮০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, তখন অন্যান্য শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন। দশম শ্রেণীর ছাত্র সুলতান হোসেনকে কোঅর্ডিনেটর করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে শহীদ সালাম উচ্চ বিদ্যালয় নামে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার বাপন রায়হান, ইয়ূথ এক্টিভিস্ট সব্যসাচী ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী সৈয়দ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

১১ জানুয়ারি টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলার আলোকদিয়া ইউনিয়নের আহম্মেদ আলী মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রায় ৮৫ জন শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট সব্যসাচী ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী সৈয়দ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন। কর্মশালা শেষে সুরাইয়া ইয়াসমিন সেতুকে কো অর্ডিনেটর করে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠনের মধ্য দিয়ে একটি নতুন ইউনিটের যাত্রা শুরু হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ছাড়াও সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন স্বেচ্ছাব্রতী প্রশিক্ষক জনাব ছিদ্দিকুর রহমান খান।

১৮ জানুয়ারি তেলিগাতী ডিগ্রী কলেজে কর্মশালার মাধ্যমে একটি নতুন ইউনিট গঠন করা হয়। এতে ৮০ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার মোঃ শাহজাহান কবির, আয়োজন করেন ইয়ূথ লিডার মোঃ অরবিল, সার্বিক ভাবে সহযোগিতা করেন উক্ত কলেজের অধ্যক্ষ।

২১ ফেব্রুয়ারি ঈশ্বরদী সরকারী কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একটি কর্মশালা। ভাষা শহীদদের অবদানকে স্মরণ করে কর্মশালাটি শুরু হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন পাবনা সরকারী এডওয়ার্ড কলেজ ইউনিটের কোঅর্ডিনেটর মাহমুদুল হাসান তুহিন। কর্মশালার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের সামাজিক দায়বদ্ধতা অনুধাবন করতে পারে এবং বিভিন্ন পরিকল্পনা হাতে নেয়। কর্মশালা শেষে অমল কুমার কর্মকার বাপ্পী কে কোঅর্ডিনেটর করে ঈশ্বরদী সদর ইউনিট নামে একটি ইউনিট গঠন করা হয়।

গৌরীপুর ইউনিটের আয়োজনে ২২ ফেব্রুয়ারি বারুয়ামারী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৬০ জনের বেশী ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্র-ছাত্রীরা কিভাবে সমাজের কাছে দায়বদ্ধ এবং পড়া লেখার পাশাপাশি কিভাবে সামাজিক দায় শোধ করার মধ্য দিয়ে সমাজের উন্নয়নে কাজ করা যায় সেই বিষয়ে আলোচনা করা হয়। অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ৪০ জন ছাত্রী ও ২০ জনের বেশী ছাত্র ছিল। আলোচনার শুরুতে সিনিয়র শিক্ষক আঃ লতিফ ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ এর ছাত্র-ছাত্রীদের এসব স্বেচ্ছাসেবামূলক কাজকে স্বাগত জানান। কর্মশালা শেষে মোঃ জনি মিয়াকে কোঅর্ডিনেটর এবং মোকাম্মেল হোসেনকে সহ কোঅর্ডিনেটর করে ১১ জনের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মোঃ হুমায়ূন কবীর ও ইয়ূথ লিডার আঃ রাশিদ।

কটিয়াদী ডিগ্রী কলেজ মাঠে ২৩ ফেব্রুয়ারি একটি কর্মশালা করা হয়েছে। মনিরুজ্জামানকে কোঅর্ডিনেটর ও মাজেদুল ইসলামকে সহ কোঅর্ডিনেটর করে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। ইয়ূথ লিডার মোজাম্মেল হক ও তানিয়া নাছরিন বর্ণালীর পরিচালনায় এতে অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী বিদ্যানিকেতন এর সিনিয়র শিক্ষক হাবিবুর রহমান। ৩টি প্রতিষ্ঠানের ৪০ জন ছাত্র অংশগ্রহণ করেন। পরে তারা মহান স্বাধীনতা দিবস পালনের কর্মসূচি হাতে নেয়। কর্মশালাটি সম্পন্ন করতে নাঈম, জুয়েল ও রুবেলের অবদান অনস্বীকার্য।

কটিয়াদী পাইলট বালক উচ্চ বিদ্যালয় ইউনিটের উদ্যোগে স্কুল ক্যাম্পাসে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪০ জন শিক্ষার্থী স্বতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালাটি সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সার্বিক সহযোগিতা করেন হৃদয় ও রামিম। কর্মশালা শেষে তাইফুল ইসলাম পলাশকে কোঅর্ডিনেটর করে নবদূত নামে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মোজাম্মেল হক ও তানিয়া নাছরিন বর্ণালী।

৭ মার্চ সরকারী এডওয়ার্ড কলেজ ইউনিটের আয়োজনে কলেজ প্রাঙ্গনে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মোঃ মাহমুদুল হাসান তুহিন, আবদুল্লাহ আল মামুন, মেহেদী হাসান ও শরিফুল ইসলাম। পরবর্তী পরিকল্পনা হিসেবে মহান স্বাধীনতা দিবস পালন ও স্বাধীনতার পটভূমিতে একটি পাঠচক্র করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
13
১০ মার্চ তেলিহাটি হাইস্কুলে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়ে গেল । এতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এটি আয়োজন করে তালতলী যুব উন্নয়ন ক্লাব গাজীপুর। পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট লিপি ও রনি, সহায়তা করেন ইয়ূথ ভলান্টিয়ার সজীব। মোঃ নজরুল ইসলামকে কোঅর্ডিনেটর করে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। নবগঠিত ইউনিট প্রথম কার্যক্রম হিসেবে তাদের এলাকার একটি রাস্তা সংস্কারের দায়িত্ব নেয়।

রংপুরের ঐতিহ্যবাহী কারমাইকেল কলেজে গত ২৫ মার্চ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল একটি কর্মশালা। কারমাইকেল কলেজ ইউনিটের সক্রিয় সদস্য ও ইউনিটের কার্যক্রম বাড়ানোর জন্য এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়। ১০ জন ছাত্রী ও ২৫ জন ছাত্র সমাজের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে মানুষের জন্য কাজ করার অঙ্গীকারাবদ্ধ হন। আসাদুজ্জামান নামে একজন সদস্য তার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, আমরা ছাত্র সমাজ আগামী দিনের দেশ গড়ার কারিগর, আমরা যতক্ষণ না দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে কাজ করবো ততক্ষণ দেশ তথা সমাজের কোন উন্নতি হবে না। ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার সংগঠনটি যাতে ছাত্রদের মাঝে পৌঁছাতে পারে আমি সেজন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট মারিফুল হক শাওন ও দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্মী মাহমুদ হাসান রাসেল। কর্মশালাটি আয়োজন করে কারমাইকেল কলেজ ইউনিট।

রিপোর্ট: আব্দুল্লাহ্ আল মামুন সুমন, মাহবুবুর রহমান, নজরুল ইসলাম, মোঃ আঃ রাশিদ, মোজাম্মেল হক, ফারুক হোসেন শাওন, তানিয়া নাছরিন বর্ণালী, মোঃ মাহমুদুল হাসান, লিপি আক্তার, মোঃ শাহজাহান কবির, হাসানুর রহমান হাসান ও সৈয়দ মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন।

Advertisements

One comment

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে।