কর্মশালার খবর

image4

২ এপ্রিল নেত্রকোনা সরকারী মহিলা কলেজে ছাত্রীদের অংশগ্রহণে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র-ছাত্রী ছাড়াও কয়েকজন প্রভাষকও উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মোঃ শাহজাহান কবির, তাকে সহযোগিতা করেন মাহমুদুল হক রৌদ্র।

৩ এপ্রিল নেত্রকোনা সরকারী কলেজ ইউনিটের পক্ষ থেকে নেত্রকোনা আবু আব্বাস ডিগ্রী কলেজে কর্মশালার মধ্য দিয়ে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি ইউনিট গঠন করা হয়। ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণে কর্মশালাটি উদ্বোধন করেন সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক জনাব মোঃ হামিদুল হক। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার মোঃ মাহবুবুর রহমান রৌদ্র ও মোঃ শাহজাহান কবির।

১০ এপ্রিল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থানার অন্তর্গত ধনদিয়া ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনে (মাধ্যমিক বিদ্যালয়) একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নবম-দশম শ্রেণীর মোট ৬০ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। নয়নমনিকে কোঅর্ডিনেটর করে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কর্মশালা শেষে অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক বাবু বিকাশ চন্দ্র বৈদ্য বলেন, “লেখাপড়ার পাশাপাশি ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের সাথে জড়িত থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের মেধা ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করতে পারবে। এটা সত্যিই জীবন গঠনের জন্য এক অপূর্ব সুযোগ।” কর্মশালাটি আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেন কালাম ও আহসান এবং পরিচালনা করেন মোক্তার হোসেন।

১৭ এপ্রিল নেত্রকোনা চন্দ্রনাথ উচ্চ বিদ্যালয়ে অষ্টম-দশম শ্রেণীর ৬৬ জন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণে কর্মশালার মধ্য দিয়ে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। কর্মশালার আয়োজন ও পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার মোঃ শাহজাহান কবির। এতে সহযোগিতা করেন ইয়ূথ লিডার মোছাঃ রফিকা সুলতানা।

২০ এপ্রিল বাঁশিয়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, গফরগাঁও ও ময়মনসিংহ জেলার ১০৪ জন ছাত্র-ছাত্রীর উপস্থিতিতে কর্মশালার মাধ্যমে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। এটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার মোঃ শাহজাহান আলী। আয়োজনে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেন উক্ত স্কুলের বিএসসি সহকারী শিক্ষক মোঃ টপি আক্তার। সার্বিক সহযোগিতা করেন মোঃ দেলোয়ার উদ্দিন জাহিদ ও অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ। কর্মশালার বিশেষ দিক ছিল সামাজিক দায়বদ্ধতার চেতনাবোধ সৃষ্টির পাশাপাশি উক্ত বিদ্যালয়ের দরিদ্র ছাত্র-ছাত্রীদের তালিকা তৈরি করে তাদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার অঙ্গিকার ব্যক্ত করা।

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার কুষ্টিয়া জেলা ইউনিটের উদ্যোগে গত ২৫ এপ্রিল কুষ্টিয়া ভেড়ামারা হোমিওপ্যাথি কলেজে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভেড়ামারা থানার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। কর্মশালা শেষে সর্বসমম্মতিক্রমে আশিক জাহান গালিবকে কোঅর্ডিনেটর করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। ইউনিটের নাম দেয়া হয় – ‘ভেড়ামারা সৃজনশীল ইউনিট’। তারা এলাকায় স্বাক্ষরতা অভিযান চালানোর মধ্য দিয়ে ইউনিটের কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ১৩তম জাতীয় সম্মেলন কমিটির সদস্য ইয়ূথ লিডার মোঃ মাহিন ইসলাম ও ইয়ূথ লিডার মোঃ ফাহিম আবেদীন। কর্মশালাটি সমন্বয় করেন শুভ।

সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ উপজেলার ৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গত ২৬ এপ্রিল ৪টি পৃথক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালাগুলো পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট ফিরোজ। কর্মশালা শেষে ৪টি ইউনিট গঠন করা হয়।

২৭ এপ্রিল গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা থানার অন্তর্গত উল্যা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৬০ জন অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মোঃ সাফিউল ইসলাম শাহিন ও আবু তাহের। একইদিনে নেত্রকোনা উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় উপস্থিত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তার অভিমত ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, “ইয়ূথের কার্যক্রমগুলো খুবই ভাল। এরকমভাবে যদি প্রত্যেকটি ছাত্র-ছাত্রী ইয়ূথের সাথে সম্পৃক্ত হয় তাহলে দেশ অচিরেই ক্ষধামুক্ত ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে।”

২৪ মে দি হাঙ্গার প্রজেক্ট-এর প্রধান কার্যালয়ে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-এর উদ্যোগে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন দি হাঙ্গার প্রজেক্টের কর্মী বিধান চন্দ্র পাল। তিনি ছাত্র-ছাত্রীদের সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, “বড় হয়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় প্রত্যেকেরই যে সমাজের প্রতি গভীর দায়বদ্ধতা রয়েছে তা উপলব্ধিতে রাখার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে। তিনি বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দায়বদ্ধতার বিশ্লেষণ করে বলেন, দেশ গড়তে এখন থেকেই অবদান রাখার প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। আর তাহলেই ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গঠনের প্রত্যাশা সফল ও স্বার্থক হবে।” কর্মশালায় ইডেন মহিলা কলেজ, তিতুমীর কলেজ, গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা অংশগ্রহণ করেন। প্রত্যেকে নিজ নিজ কলেজে ইউনিট গঠন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করার মধ্য দিয়ে কর্মশালার সমাপ্তি ঘটে।

৪ জুন নোয়াখালির মিয়ারহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম-দশম শ্রেণীর প্রায় ৪০ জন ছাত্র-ছাত্রীকে নিয়ে একটি কর্মশালা পরিচালিত হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার রজত সিকস্তি ও মিঠুন দেবনাথ। কর্মশালাটি আয়োজন করেন ১৩তম জাতীয় সম্মেলন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক শাহনাজ শারমীন স্বপ্না।

৫ জুন কুষ্টিয়া জেলা ইউনিটের আয়োজনে কুমারখালী থানার কুশলীবাসা গ্রামের ইকরা কোচিং সেন্টারে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে সর্বসম্মতিক্রমে মোঃ তৌহিদুল ইসলাম লিটুকে কোঅর্ডিনেটর করে ‘একতা ইউনিট’ নামে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। তারা পরবর্তী এক মাসের কর্মপরিকল্পনা করে। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার মোঃ ফাহিম আবেদীন ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেন মোঃ রাকিবুল ইসলাম।

৮ জুন করিমগঞ্জ কলেজ ইউনিটের আয়োজনে ভাটিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নবম-দশম শ্রেণীর মোট ৬৪ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে। আরো উপস্থিত ছিলেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ খোরশেদ উদ্দীন ও বাংলার শিক্ষক মোঃ আবুল কালাম। প্রধান শিক্ষক তার অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, “ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার সামাজিক আন্দোলন ও স্বপ্নের সোনার দেশ গড়ার লক্ষ্যে নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় ছাত্র-সংগঠন। সহকারী শিক্ষক জনাব আবুল কালাম অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, “আমাদের দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের মত একটি স্বেচ্ছাব্রতী ছাত্র সংগঠন যে ধরনের ভূমিকা রেখে চলেছে তা খুবই আশাব্যাঞ্জক।” অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে দশম শ্রেণীর ছাত্র রাজন বলেন, “এই কর্মশালায় অংশগ্রহণ করে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আজ আমি সমাজের কাছে আমার দায়বদ্ধতা সম্পর্কে জানলাম। স্বেচ্ছাব্রতী হয়ে দেশের জন্য, সমাজের জন্য কাজ করে আমাদের এই ঋণ শোধ করতে হবে।” আনোয়ার, রুমেল, আইরিন, শিখা, শারমীন, ময়না, স্বর্ণা ও লাকীর আয়োজনে কর্মশালাটি পরিচালনা করেন দেওয়ান এনায়েত ও লিমন। একইদিনে ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলার কাঠালিয়া পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এটি আয়োজন করেন মোঃ বাদল হাওলাদার ও পরিচালনা করেন ইয়ূথ এক্টিভিস্ট মামুনুর রশিদ মামুন। কর্মশালাটিতে নবম-দশম শ্রেণীর ৯৫ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশ নেয়। সর্বসম্মতিক্রমে মুরাদকে কোঅর্ডিনেটর করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি ইউনিট গঠন করা হয়।

১০ জুন কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার অন্তর্গত বীরবিক্রম কিন্ডার গার্টেন প্রাঙ্গনে স্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪০ জন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সর্বসম্মতিক্রমে সানজিদা আরেফিন সোমাকে কোঅর্ডিনেটর করে পোড়াদহ সদর ইউনিট গঠন করা হয়। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন ন্যাশনাল ফোরাম সদস্য মোঃ ফিরোজ আল মামুন। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের ইয়ূথ লিডার জাফর আহমেদ ও জনাব তিতো। একইদিনে কুষ্টিয়ার মিরপুর থানার অন্তর্গত আমলা হাইস্কুলে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে। অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে আমলা হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক এই সংগঠনের কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং যে কোন সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পরে সর্বসম্মতিক্রমে মতিয়ার রহমানকে কোঅর্ডিনেটর করে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। কর্মশালাটি আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা রাখেন আমলা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক জনাব মকবুল হোসেন ও ইয়ূথ লিডার আরিফ হাসান। পরিচালনা করেন ন্যাশনাল ফোরাম সদস্য মোঃ ফিরোজ আল মামুন। একইদিনে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হয়ে গেল আরেকটি কর্মশালা। ইয়ূথ লিডার মিঠুনের পরিচালনায় কর্মশালায় ১৬ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালার শেষ পর্যায়ে ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ইউনিট’ নামে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। পরে পলাশ, সুরাইয়া, ইমন, সেতু ও অন্যান্যদের অংশগ্রহণে ছোট্ট একটি সাংস্কৃতিক আড্ডার মধ্য দিয়ে কর্মশালাটির সমাপ্তি হয়।

১২ জুন বরিশাল জেলার আগৈলঝরা উপজেলার রাজিহার মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে মোঃ সাইফুল ইসলাম লিটনের আয়োজনে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। নবম-দশম শ্রেণীর ৯৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণে কর্মশালাটি পরিচালনা করেন মামুনূর রশিদ মামুন। পরে সকলের সম্মতিতে মোঃ সোহেল হাওলাদারকে কোঅর্ডিনেটর করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।

১৪ জুন করিমগঞ্জ সদর ইউনিটের আয়োজনে গুজাদিয়া আঃ হেকিম উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম-দশম শ্রেণীর ৮০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে একটি প্রাণবন্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালায় ছাত্র-ছাত্রীদের সামাজিক দায়বদ্ধতা সম্পর্কে ধারণা দিয়ে, সামাজিক ঋণ শোধ করতে প্রণোদিত করা হয়। সেই আলোকে সবাই প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতিতে বলিষ্ঠ হয়ে কাজ করার অঙ্গিকার করে। এছাড়া তারা নিজেদেরকে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের স্বেচ্ছাব্রতী কর্মী হিসেবে ঘোষণা দেয়। কর্মশালার শেষ পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক জনাব এমদাদ উদ্দীনকে উপদেষ্টা করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। ‘পথে পথে জয়’ নামক ইউনিটটির কোঅর্ডিনেটর নির্বাচিত করা হয় দশম শ্রেণীর ছাত্র নাজিমউদ্দীনকে। কর্মশালাটি সফল করতে সার্বিক সহায়তা করে রুবি, সোনিয়া ও তামান্না। পরিচালনা করেন দ্বাদশ সম্মেলন কমিটির সদস্য শফিক, ত্রয়োদশ সম্মেলন কমিটির সদস্য দেওয়ান এনায়েত ও ইয়ূথ লিডার লিমন।

১৬ জুন হাত্রাপাড়া ফুলকুঁড়ি ইউনিটের আয়োজনে পিটুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৪৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা মোছাঃ শেলী ও সহকারী শিক্ষক জনাব সেলিমকে উপদেষ্টা করে, দশম শ্রেণীর ছাত্র জুবায়ের হোসেনকে কোঅর্ডিনেটর করে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট ‘ফুটন্ত কুঁড়ি’ নামে একটি কমিটি গঠন করা হয়। কর্মশালাটি আয়োজনে ভূমিকা রাখেন বাবুল, আলমগীর, হাকিম, রেখা, তামান্না, রোজিনা ও লিমন। কর্মশালাটি পরিচালনা করেন দেওয়ান এনায়েত।

১৮ জুন বরিশাল জেলার আগৈলঝরা উপজেলার রাংতা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে নবম-দশম শ্রেণীর ৬৫ জন ছাত্র-ছাত্রীর অংশগ্রহণে একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। কর্মশালাটি আয়োজন করেন মোঃ লিটন ও পরিচালনা করেন মোঃ মামুনূর রশিদ মামুন। কর্মশালা শেষে মোঃ মামুন ইসলামকে কোঅর্ডিনেটর করে একটি ইউনিট গঠন করা হয়।

১৯ জুন পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে তিন ঘন্টাব্যাপী একটি প্রাণবন্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অনার্স-মাস্টার্স পর্যায়ের ৪০ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে রাকিবুল ইসলামকে কোঅর্ডিনেটর করে ১১ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কর্মশালাটি আয়োজন করেন ইয়ূথ লিডার মাহমুদুল হাসান তুহিন ও আবদুল্লাহ আল মামুন, পরিচালনা করেন ইয়ূথ লিডার তানভীর রুবেল।

২৪ জুন করিমগঞ্জ সদর ইউনিটের আয়োজনে নিয়ামতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে একটি কর্মশালা সম্পন্ন হয়। এতে নবম-দশম শ্রেণীর ৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালা শেষে জনাব কামালউদ্দিন, জনাব মোস্তফা কামাল ও জনাব নজরুল ইসলাম এই তিন শিক্ষককে উপদেষ্টা করে ‘নব জাগরণ’ নামে একটি ইউনিট গঠন করা হয়। এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন করিমগঞ্জ উপজেলা সুজনে’র সদস্য সচিব ও করিমগঞ্জ বাস্তবায়ন কমিটির আহ্বায়ক মোঃ সাদেক আহমেদ স্বপন এবং স্থানীয় উজ্জীবক ডাঃ করিম। কর্মশালাটি আয়োজনে সহযোগিতা করেন ইয়ূথ লিডার শারমিন ও সোনিয়া। পরিচালনা করেন লিমন, শফিক ও এনায়েত।

রিপোর্ট: মোঃ শাহজাহান কবির, মোঃ মোক্তার হোসেন, মোঃ সাফিঊল ইসলাম শাহিন, সামিউল হাসান সজীব, ফিরোজ, লিমন, তানভীর রুবেল, মামুনুর রশিদ মামুন, শারমিন, সোনিয়া, ফিরোজ, মোঃ মাহিন ইসলাম ও মিঠুন দেবনাথ।

আমরা করব জয়, ৬৩তম সংখ্যা

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s