জাতীয় সম্মেলন কমিটির খসড়া গঠনতন্ত্র

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ একটি বিশ্বাস ৷ ক্ষুধামুক্ত আত্মনির্ভরশীল যুব সমাজ গঠনের লক্ষ্যে একদল ছাত্র-ছাত্রী সারাদেশে স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করছে ৷ স্বেচ্ছাসেবী মানসিকতায় সৃষ্ট এ সকল কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে প্রতি বছর একটি জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করা হয় ৷ সম্মেলনটির শতভাগ মালিকানা সারা দেশে ছড়িয়ে থাকা সকল ইয়ূথ সদস্যদের ৷ এ সম্মেলন সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে একটি জাতীয় কমিটি সারাবছর দায়িত্ব পালন করে ৷ সুস্থ ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এ কমিটি গঠিত হয় ৷ অগ্রসরমান ইয়ূথ সদস্যদের নিয়ে গঠিত এ কমিটিই জাতীয় সম্মেলন কমিটি নামে পরিচিত ৷ কমিটি এ সভায় জাতীয় সম্মেলন কমিটির একটি খসড়া গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে ৷

কমিটির গঠন কাঠামো :

১৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি হবে ৷ এক জন আহ্বায়ক, দুই জন যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হবে ৷ অবশিষ্ট সকলে সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে ৷

কমিটির মেয়াদ :
কমিটির মেয়াদ হবে এক বছর ৷ একজন সদস্য একবারই সম্মেলন কমিটির সদস্য হতে পারে ৷

সদস্যদের যোগ্যতা :

এক. ইয়ূথ ভলান্টিয়ার্স প্রশিক্ষণের আয়োজনের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে; দুই. সম্মেলন আয়োজনের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে; তিন. দুই বছর ধরে সংগঠনের সাথে যুক্ত এবং সংগঠন সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে; চার. ইয়ূথ লীডার হতে হবে ৷

কমিটির দায়িত্ব ও কর্তব্য :

কমিটি আগামী সম্মেলন যথাযথভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে বছরব্যাপী দায়িত্ব পালন করবে ৷ এ লক্ষ্যে –
এক. সম্মেলন সফল করতে কমিটির প্রতিটি সদস্য ফলোআপ সভা পরিচালনা করবে ৷ দুই. অর্জন ও অভিজ্ঞতার যথাযথ তথ্যায়নে সহায়কের ভূমিকা পালন করবে; তিন. পর্যালোচনার জন্য কমিটি বছরে তিনটি সভার আয়োজন করবে; চার. সম্মেলন প্রস্তুতি সভায় অবশ্যই প্রতিটি সদস্যকে উপস্থিত থাকতে হবে; পাঁচ. পরবর্তী এক বছরের জন্য নতুন কমিটি গঠন করবে ৷

জবাবদিহিতা :
কমিটি ন্যাশনাল ইয়ূথ ফোরামের কাছে জবাবদিহি করবে ৷

সদস্যপদ বাতিল :
কমিটির ও সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গ করলে ও দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিলে সদস্যপদ বাতিল হতে পারে ৷

সংশোধনী :

বিশেষ প্রয়োজনে গঠনতন্ত্রের পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করা যেতে পারে ৷ ন্যাশনাল ইয়ূথ ফোরাম ও জাতীয় সম্মেলন কমিটি এ অধিকার সংরক্ষণ করে ৷

আমরা করব জয়-৪৫

Advertisements