গুণীজন পরিচিতি

অধ্যাপক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস
ময়মনসিংহ শহরেই জন্মগ্রহণ করেন। ছোট বেলা থেকেই অসাধারণ মেধাবী ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্য, দর্শন ও সমাজকল্যাণ বিষয়ে এমএ ডিগ্রী লাভ করেন। বহুভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ছাত্র ছিলেন। এ পর্যন্ত তার বহু প্রবন্ধ, কবিতা জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে। সাহিত্য ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রে ময়মনসিংহে তারঁ অবদান উল্লেখযোগ্য।


আমীর আহমেদ চৌধুরী রতন

১৯৪১ সালের ২৮ নভেম্বর ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন ৷ ১৯৬২ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম এ (সাধারণ ইতিহাস) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে দ্বিতীয় শ্রেণীতে নবম স্থান লাভ করেন ৷ ১৯৬৪ সালের আগষ্ট থেকে ১৯৮৩ সালের ৩১ আগষ্ট পর্যন্ত ময়মনসিংহের গৌরীপুর মহাবিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন ৷ এখানে কিছুকাল তিনি ভারপ্রাপ্ত অধ্যাপকের দায়িত্বও পালন করেন ৷ দরিদ্র ও অবহেলিত জন গোষ্ঠীর ছেলেমেয়েদের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে তিনি নিজে ১৯৭০ সালে ময়মনসিংহের মহারাজা রোডে মুকুল নিকেতন বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন ৷ ১৯৮৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর থেকে তিনি এ স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ৷ বর্তমানেমুকুল নিকেতন উচ্চ বিদ্যালয়ে নার্সারী  থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত প্রায় ৫ হাজার ছাত্র-ছাত্রী অধ্যায়ন করছে ৷ এই ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাদানে ১২০ জন শিক্ষক নিয়োজিত রয়েছেন ৷ শিক্ষার মান উন্নয়নে তিনি নানামূখী ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন ৷ ১৯৯৪ ও ২০০৪ সালে তিনি ময়মনসিংহ জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হন এবং জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ পুরস্কার লাভ করেন ৷


জিল্লুর রহমান খান

১৯৫৬ সালের ১৪ মার্চ নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজোলার টেঙ্গাপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন ৷ ১৯৬৯ সালে যোগদান করেন দৈনিক পূর্বদেশ পত্রিকার নিজস্ব সংবাদদাতা হিসেবে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর তিনি ময়মনসিংহে সাপ্তাহিক বাংলাদেশ পত্রিকায় কাজ শুরু করেন ৷ এর কিছু দিন পর তিনি ময়মনসিংহ প্রতিনিধি হিসেবে “দৈনিক বাংলায়” কাজ শুরু করেন ৷ এরপর তিনি ১৯৭৫ সাল থেকে দৈনিক সংবাদের নিজস্ব সংবাদদাতা হিসেবে কাজ শুরু করেন ৷ জিল্লুর রহমান খান ময়মনসিংহ প্রেস ক্লাবে পর পর ১২ বছর যুগ্ম সম্পাদক ও দুইবার সাধারণ সম্পাদক হিসেবে কাজ করেন ৷ বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ৷ সাংবাদিকতায় বিশেষ স্বীকৃতি স্বরূপ ইতোমধ্যে তিনি প্রেস ক্লাব পুরস্কার লাভ করেছেন ৷


গুণীজনদের অনুভূতি

অধ্যাপক প্রদীপ কুমার বিশ্বাস অনুভূতি ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, আজকে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-ময়মনসিংহ ইউনিট যে সম্মান আমাকে দিয়েছে তা আমি কোন দিন ভুলতে পারব না ৷ এ সম্মান নির্ভেজাল ও নি:স্বার্থ ৷ আমি আশা করি ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের সদস্যরা এ চর্চা সারাদেশে ছড়িয়ে দেবে ৷
আমীর আহমেদ চৌধুরী রতন বলেন, ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-ময়মসসিংহ ইউনিট যে সম্মান আমাকে দিল এতে আমার দায়-দায়িত্ব আরো বেড়ে গেলো ৷ এই ছেলে-মেয়েরা যে দায়িত্ব নিয়েছে সমাজের জন্য তা অবশ্যই কল্যাণকর ৷
জিল্লুর রহমান খান বলেন, আমাকে সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে সম্মাননা জানানো হয়েছে ৷ এ সম্মাননা পাওয়ায় আমি গর্বিত ৷ এ সম্মান আমাকে আরও সাহসী ও নিরপেক্ষ হতে উদ্বুদ্ধ করবে ৷
সুব্রত কুমার পাল, ময়মনসিংহ

আমরা করব জয়-৪৫

Advertisements