যুগান্তর সকল ভাল কাজের সাথে আছে – কবি আবু হাসান শাহরিয়ার

special-issue-4419

যুগান্তরের যে পরিচয়টা এখানে আমার দেওয়া হয়েছে তোমাদের আয়োজনের কাছে সেটা খুব একটা বড় পরিচয় নয় ৷ এ ধরনের আয়োজনগুলো সাধারণত: কার্নিভাল চেতনার ভিত্তিতে হয়ে থাকে ৷ অর্থাত্‍ বিভিন্ন অঞ্চলের লোকদের সঙ্গে একে অন্যের মতবিনিময় হয় ৷ যেমন: দিনাজপুরের যে ছেলেটা কোনদিন চট্টগ্রাম যায় নি, সে চট্টগ্রামের একজনের সাথে পরিচিত হতে পারে ৷ পারস্পরিক কথোপকথনের মাধ্যমে সমৃদ্ধ হতে পারে ৷ ফলে সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা লোকদের মধ্যে একটা সেতু বন্ধন তৈরী করা যায় ৷

এই যে কাজটি ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ করছে তার কিছুটা আমরাও যুগান্তরের পক্ষ থেকে করার চেষ্টা করছি ৷ যেহেতু যুগান্তর একটি মিডিয়া, সেকারণে এর অনেকগুলো শাখা প্রশাখা রয়েছে এ কাজটিকে ছড়িয়ে দেবার ৷ এখানে আসার আগে বিধান এবং মানিক ভাই আমাকে বলেছিলেন এখানে যারা লেখালেখি করতে চায় তাদের একটা সুযোগ তৈরী হয়েছে ৷ আমরা যেটা চাই তোমরা যারা প্রত্যন্ত এলাকায় কাজ করছো, তোমরা তোমাদের অঞ্চলের খবরাখবর তুলে ধরো ৷

দেখবে হাজারো খবর তোমাদের চারপাশে ছড়িয়ে আছে সেগুলোই তোমরা আমাদের কাছে লিখে পাঠাতে পার ৷ ধর, তুমি একটা হাসপাতালে রুগীকে দেখতে গেলে, ওখানটার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে একটা প্রতিবেদন তৈরী করতে পার ৷ ডাক্তাররা রোগীদের সাথে কেমন ব্যবহার করছে, কতটুকু সেবা একজন নাগরিক হিসেবে তোমার প্রাপ্ত প্রভৃতি বিষয়গুলো তুলে ধরতে পার ৷

তাছাড়া আমি তোমাদের পাঠচক্রের বিষয় বলতে চাই ৷ তোমরা ইয়ূথ-স্বজন পাঠচক্র নামে যে পাঠচক্রের আয়োজন করছো সেখানে মাসে একদিন কোন নির্ধারিত বইকে বিষয় হিসেবে নির্বাচন করতে পার ৷ আবার নিজেদের লেখালেখি নিয়েও করতে পার, নিজের প্রকাশিত লিখার উপরও আলোচনা করতে পার ৷ সেক্ষেত্রে আমাদের যে সুযোগ আছে আমরা আমাদের পত্রিকার মাধ্যমে খবরটা ছড়িয়ে দিতে পারি ৷ যুগান্তর যেকোন ভাল কাজের সাথে আছে ৷ ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের সাথেও আছে ৷ ধন্যবাদ সকলকে ৷

আমরা করব জয়-৪৪

Advertisements

One comment

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়েছে।