গঠনতন্ত্র

গঠনতন্ত্র
গঠনতন্ত্র

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার – বাংলাদেশ ও এর উদ্দেশ্য

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার একটি বিশ্বাস। একটি প্রতিশ্রুতি। সম্ভাবনাময় ভবিষ্যতে বিশ্বাসী একটি সামাজিক আন্দোলন। ক্ষুধামুক্ত আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রত্যাশা ও গভীর সামাজিক দায়বদ্ধতাবোধের ভিত্তিতে এ আন্দোলন পরিচালিত।

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার স্বেচ্ছাব্রতী সংস্থা দি হাঙ্গার প্রজেক্টের অনুপ্রেরণায় সৃষ্ট একটি সহযোগী সংগঠন। ছাত্র-ছাত্রীদের নেতৃত্বেই এ সংগঠন পরিচালিত হয়। ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়তে হলে ছাত্র-ছাত্রীদের আত্মসমৃদ্ধি প্রয়োজন। প্রয়োজন এ ক্ষুধামুক্তির আন্দোলনে তাদের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ ও অবদান।  এ সংগঠনের প্রতিটি সদস্য নিজের ভবিষ্যত নিজে গড়তে এবং অন্যকে সহায়তা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এই সংগঠনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হলো –
১. ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা ও সৃজনশীলতার সর্বাধিক বিকাশের লক্ষ্যে তাদেরকে প্রণোদিত ও সংগঠিত করা;
২. তাদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা বোধ সৃষ্টি করে সমাজ সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা;
৩. তাদের মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের প্রত্যয় সৃষ্টি করা;
৪. সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে কাজের মাধ্যমে সফল, স্বয়ংক্রিয় ও স্বেচ্ছাব্রতী নেতা হয়ে ওঠার লক্ষ্যে ক্ষমতায়িত করা; এবং
৫. প্রত্যেককে আধুনিক বিজ্ঞানমনস্ক হয়ে উঠতে উৎসাহিত করা।

ইয়ুথের  সাংগঠনিক কাঠামো
ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার এর  সাংগঠনিক কাঠামো পাঁচটি  স্তর বা পর্যায়ে থাকবে। এই পাঁচটি স্তর হবে ইউনিট, জেলা সমন্বয়ক টিম, আঞ্চলিক ইয়ূথ ফোরাম, জাতীয় সম্মেলন কমিটি ও ন্যাশনাল ইয়ূথ  ফোরাম।

ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-এর সদস্য হবার শর্তাবলী
১. যারা ১৪ থেকে ২৫ বছর বয়সের শিক্ষার্থী
২. যারা স্বেচ্ছাব্রতী মনোভাবাপন্ন এবং নিজেদের তথা দেশের উন্নয়নে কাজ করার লক্ষ্যে সমাজ উন্নয়নমূলক বিভিন্ন সৃজনশীল কাজে সম্পৃক্ত কিংবা সম্পৃক্ত হতে ইচ্ছুক এবং  নৈতিকতা বিরোধী কোনো কার্যক্রমে লিপ্ত নয়
৩. যারা নিজেদের মেধার সর্বোচ্চ বিকাশে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং একটি ক্ষুধামুক্ত ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখতে আগ্রহী

ইউনিট গঠনের নিয়মাবলী:
১.ইউনিট গঠনের পূর্বে অবশ্যই ‘প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতি ও কার্যক্রম’ শীর্ষক কর্মশালার মাধ্যমে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা অর্জন করতে হবে
২. ন্যূনতম ১১ জন ছাত্র-ছাত্রীর সমন্বয়ে একটি ইউনিট কমিটি গঠিত হবে
৩. একজনকে সর্ব সম্মতিক্রমে ইউনিট কো-অর্ডিনেটর হিসেবে নির্বাচিত করতে হবে
৪. অবশিষ্ট সদস্যরা কার্যকরী কমিটির সদস্য হিসেবে পরিচিত হবে যার পদগুলো নিম্নরুপ:
ক) কো-অর্ডিনেটর : ইউনিটের সার্বিক দায়িত্ব পালন করবে;
খ) যুগ্ম কো-অর্ডিনেটর: কো-অর্ডিনেটর ও ইউনিটের কার্যক্রম এগিয়ে নিতে সার্বিক সহযোগিতা করবে।
গ) সদস্য – (কর্মশালা) : কর্মশালার আয়োজন ও অনুশীলন, ব্যবস’াপনাসহ সকল দায়িত্ব পালন করবে;
ঘ) সদস্য – (ছাত্র উন্নয়ন বিষয়ক): ছাত্র-ছাত্রীদের মেধা ও সার্বিক উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দায়িত্ব পালন করবে;
ঙ) সদস্য – (প্রতিযোগিতা) : সৃজনশীল বিষয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন, প্রতিযোগিতা ব্যবস’াপনাসহ সকল দায়িত্ব পালন করবে;
চ) সদস্য – (সংগঠন ও দপ্তর) : সাংগঠনিক ব্যবস’াপনা, রেজিস্টার রক্ষণাবেক্ষণ, যোগাযোগ ও অনুষ্ঠান আয়োজন করার দায়িত্ব পালন করবে;
ছ) সদস্য – ( অর্থ ): সদস্য চাঁদা সংগ্রহ, আয়-ব্যয় হিসাব সংরক্ষণ করার দায়িত্ব পালন করবে;
জ) সদস্য – (প্রচার,প্রকাশনা ও পাঠাগার) : গণমাধ্যমের সাথে যোগাযোগ,সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুক,টুইটার) এ কার্যক্রম সম্পর্কে জানানো, দেয়ালিকা, সংকলন, কার্যক্রমের রিপোর্ট প্রকাশ,লাইব্রেরী গড়ে তোলা,বই সংগ্রহ ও বিভিন্ন কার্যক্রম ডিসপ্লের মাধ্যমে প্রচার করার দায়িত্ব পালন করবে;
ঝ) সদস্য – (সাহিত্য,সংস্কৃতি ও পাঠচক্র) : প্রতিমাসে অন-ত একবার পাঠচক্র ও সাহিত্য,সংস্কৃতি বিষয়ক কার্যক্রম আয়োজন করার দায়িত্ব পালন করবে;
ঞ) সদস্য – (বিজ্ঞান) : বিজ্ঞান ক্লাব গঠন ও বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করার দায়িত্ব পালন করবে;
ট) সদস্য – (দিবস উদযাপন) : বিভিন্ন দিবস উদযাপন করা সম্পর্কিত দায়িত্ব পালন করবে। যেমন – জাতীয় কন্যাশিশু দিবস, নারী দিবস, বিজয় দিবস, আন-র্জাতিক মাতৃভাষা দিবস প্রভৃতি।
৫. একটি ইউনিটে কার্যকরী কমিটির অতিরিক্ত সদস্যরা সাধারণ সদস্য হিসেবে বিবেচিত হবে;
৬. উপদেষ্টা পরিষদ: ইউনিট কার্যকরী কমিটি বিশেষ প্রয়োজনে স’ানীয় উজ্জীবক/ অনুঘটক/ ভিটিআর/সেচ্ছাব্রতী প্রশিক্ষক / শিক্ষক/সরকারি কর্মকর্তা/ইউপি চেয়ারম্যান বা গণ্যমান্য ব্যক্তি ইউনিট কমিটিতে উপদেষ্টা হিসেবে সম্পৃক্ত করতে পারেন। তবে এটা বাধ্যতামূলক নয়। উপদেষ্টার দায়িত্ব হলো ইউনিট যাতে সঠিকভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারে, সে ব্যাপারে পরামর্শ ও সহযোগিতা করা।
৭.সাধারণভাবে একটি কমিটি এক বছরের জন্য কার্যকর থাকবে। কমিটি পুনর্গঠনের সময় নতুনদের সুযোগ করে দিতে হবে;
৮. ইউনিট সম্পর্কিত তথ্যাবলী এবং যে কোনো পরিবর্তন ও সংযোজন দ্রুত ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশ সচিবালয় এবং আঞ্চলিক অফিসে জানাতে ও রিপোর্ট প্রেরণ করতে হবে;
৯.ইউনিট পুনর্গঠন, পরিবর্তন বা সংযোজনে কোনো প্রকার অসুবিধার সম্মুখীন হলে আঞ্চলিক অফিস ও ইয়ূথ সচিবালয়ের কাছ থেকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা গ্রহণ করা যেতে পারে
১০. ইউনিটকে আর্থিকভাবে সচ্ছল রাখার লক্ষ্যে ন্যূনতম পাঁচ টাকা মাসিক ফি নির্ধারিত হবে । তবে ইউনিট কমিটি সদস্যদের সামর্থ্যের উপর ভিত্তি করে ফি-র পরিমাণ বেশি নির্ধারণ করতে পারে; মাসিক ফি-র দ্বারা সংগঠনের ব্যয় নির্বাহ করা হবে। ব্যয়ের পর অতিরিক্ত অর্থ সঞ্চয় করতে হবে; মাসিক ফি ছাড়াও ইউনিট সঞ্চয় প্রকল্প চালু করতে পারে।
১১. ইউনিট কমিটিকে প্রতি মাসে একটি সাধারণসভা, একটি পর্যালোচনাসভা ও প্রতি দুই মাসে একটি দ্বিমাসিক পর্যালোচনা সভার আয়োজন করতে হবে এবং প্রতি সভায় গৃহীত সিদ্ধান-সমূহ যথাযথ ও লিখিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে, জরুরী সিদ্ধান- গ্রহণের ক্ষেত্রে ইয়ূথ সচিবালয় জাতীয় সম্মেলন কমিটি,ফোরাম সদস্য ও আঞ্চলিক অফিসের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সিদ্ধান- গ্রহণ করবে।

জেলা সমন্বয় টিম
সাংগঠনিক কাঠামোর আলোকে ইউনিটভিত্তিক কাজ ও সক্রিয়তাকে অগ্রাধিকার দিয়ে জেলা সমন্বয় টিম গঠিত হবে। কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে ক) কর্মশালা =১ জন খ) প্রশিক্ষণ = ১ জন  গ) ফোকাস কার্যক্রম =১ জন ঘ) ফলোআপ =১ জন  এবং টিমের সমন্বয়কারী ১ জন নির্বাচিত হবে । এই  ৫  জন প্রতিমাসে  স্ব স্ব জেলায়  নূন্যতম একবার  একত্রে  বসে সমন্বয়,পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণ করবে। জেলা ইয়ূথ সমন্বয়কারী পুরো কাজকে এগিয়ে নিতে সমন্বয় সাধন করবে।

আঞ্চলিক ইয়ূথ ফোরাম
অঞ্চলভিত্তিক প্রতি জেলার ইয়ূথ সমন্বয়কারীরা প্রতিমাসে আঞ্চলিক অফিসে/সুবিধাজনক স্থানে আঞ্চলিক সমন্বয়কারীদের সাথে একত্রে বসে কার্যক্রমের সমন্বয়, পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস-বায়ন কৌশল নির্ধারণ করবে। একইসাথে প্রতিমাসের অর্জন ও পরবর্তী মাসের পরিকল্পনাগুলি লিখিতভাবে প্রদান করবে, যেগুলি দি হাঙ্গার প্রজেক্ট – এর আঞ্চলিক সমন্বয়কারীগণ  মাসিক পরিকল্পনার সাথে যুক্ত করে দিবেন ।

জাতীয় সম্মেলন কমিটি
সদস্য হবার নিয়মাবলী
১. প্রতি বছর নতুন সদস্যদের সমন্বয়ে কমিটি গঠিত হবে; একই ইউনিট থেকে সর্বোচ্চ একজন সদস্য এই কমিটিতে
অন-র্ভুক্ত হতে পারবে,তবে কমিটিতে বিশেষ প্রয়োজনে যোগ্যতার ভিত্তিতে একাধিক সদস্য যুক্ত হতে পারে ;
২. সামাজিক আন্দোলনে/সংগঠনে বিশেষ অবদান রেখেছে;
৩. কর্মশালা/প্রশিক্ষণ/ফলোআপ পরিচালনা করার দক্ষতা এবং তথ্যায়নের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে;
৪. সংগঠনে সময় দেবার সুযোগ ও আগ্রহ এবং সংগঠনকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সংগঠনে রুপান-রিত করার লক্ষ্যে নিবেদিতভাবে কাজ করার মানসিকতা থাকতে হবে;
৫. সদস্য সংখ্যা হবে দশ অঞ্চল থেকে ১৯-২১ জন। তবে কাজের তারতম্যের উপর ভিত্তি করে অঞ্চলভিত্তিক সদস্য সংখ্যার তারতম্য হতে পারে। এক্ষেত্রে ইয়ূথ সচিবালয় প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করবে।

ন্যাশনাল ইয়ূথ ফোরাম
ন্যাশনাল ইয়ূথ ফোরাম হলো ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার-বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ফোরাম। এই ফোরাম সংগঠনের নীতি ও কর্মকৌশল নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রতি বছর জাতীয় সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ন্যাশনাল ইয়ূথ ফোরাম গঠন করা হয়।
সদস্যদের যোগ্যতা
১. সংগঠনের সক্রিয় সদস্য/ফলোআপ লিডার / জাতীয় সম্মেলন কমিটিতে সক্রিয় ভূমিকা পালনকারী হতে হবে। প্রশিক্ষণসহ যেকোনো বড় অনুষ্ঠান আয়োজনের (যেমন: জেলা সম্মেলন পালনকারী/ শিক্ষা সম্মেলন/ সেমিনার/গণিত উৎসব, ইত্যাদি) অভিজ্ঞতা প্রাধান্য দেওয়া হবে;
২. প্রতিটি ইউনিটের কো-অর্ডিনেটর/ ইউনিট নির্বাচিত প্রতিনিধি, জাতীয় সম্মেলন কমিটির সদস্য ও জেলা সমন্বয় টিম জাতীয় সম্মেলনের পূর্বে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক পর্যালোচনা সভায় উল্লেখিত যোগ্যতার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে ফোরাম সদস্য নির্বাচন করবে ।
ক) একজন একবারই ফোরামের সদস্যপদ লাভ করবে;
খ) ন্যূনতম ৩ বছর (বিশেষ ক্ষেত্রে ২বছর) ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের কাজের সাথে যুক্ত থাকা;
গ) আগামী ১ বছর কাজের সাথে যুক্ত থাকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়া;
সদস্য সংখ্যা
৩. শিক্ষাগত দিক থেকে বয়োজৈষ্ঠ/ইউনিটের সক্রিয় সদস্য /তিন বছরের সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ইত্যাদি যোগ্যতার একজন ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর (ছেলে/মেয়ে)ও  দুইজন যুগ্ম ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর সহ ফোরামের সদস্য সংখ্যা হবে মোট ১১ জন; তবে সংগঠনের প্রয়োজনে সদস্য সংখ্যা কম বা বেশি হতে পারে;
৪. যে অঞ্চল থেকে ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর নির্বাচিত হবে সেই অঞ্চল থেকে আরেক জনকে সদস্য নির্বাচিত করতে হবে;
৫. নারী ও আঞ্চলিক সামঞ্জস্যতা রেখে ফোরাম গঠন করা হবে তবে কোনো অঞ্চলে যোগ্য কেউ না থাকলে অন্য এলাকা থেকে নির্বাচিত করা হবে।
৬.কোনো সদস্য সংগঠনের ভাবমূর্তি নষ্ট করলে বা পর-পর ফোরামের দুইটি সভায় অনুপসি’ত থাকলে (বিশেষ কারণ ছাড়া) তার সদস্যপদ স’গিত করা হবে;
৭. কোনো অঞ্চলে উপরোল্লেখিত যোগ্যতা সম্পন্ন কেউ না থাকলে অঞ্চলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত ও কার্যক্রমকে এগিয়ে নেবার স্বার্থে ফোরামের সহযোগী সদস্য নির্বাচন করা যেতে পারে।

2 comments

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s