আমাদের কার্যক্রম

গণশিক্ষা কার্যক্রম

বর্তমানে সারা দেশে এক লক্ষাধিক ছাত্র-ছাত্রী ক্ষুধামুক্ত আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনের প্রচেষ্টাকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার কাজে লিপ্ত। এ লক্ষ্যে তারা নানামুখী সৃজনশীল কার্যক্রম পরিচালনা করছে। আর এই কাজের ভিত্তি হচ্ছে সামাজিক দায়বদ্ধতাবোধ। মূলত কর্মশালা ও বিভিন্ন প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে দায়বদ্ধতাবোধ সৃষ্টি করা হয়।
ক্ষুধামুক্তির এই গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলনের একজন স্বয়ংক্রিয় ও স্বেচ্ছাব্রতী সৈনিক হিসেবে ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষমতায়িত করতে ইয়ূথ লিডার্স ট্রেনিং পরিচালিত হয়। যার মাধ্যমে তাদের মধ্যে একটি ক্ষুধামুক্ত আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গড়ার সমন্বিত প্রত্যাশা সৃষ্টি হয়। এ প্রত্যাশা অর্জনে নিবিষ্ট থাকতে তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় এবং কিছু সুস্পষ্ট কার্যক্রম হাতে নেয়।

নারীদের প্রতি বৈষম্য অবসান মূলক প্রচারাভিযান

সামাজিক আন্দোলনকে বেগবান করতে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গারের সদস্যরা যে সকল সুস্পষ্ট কার্যক্রম হাতে নেয়, তার মধ্যে অন্যতম হলো ‘প্রত্যাশা, প্রতিশ্রুতি ও কার্যক্রম’ শীর্ষক কর্মশালা পরিচালনা। দেশব্যাপী পরিচালিত এ সকল কর্মশালার মাধ্যমে অন্যের মধ্যে সামাজিক দ্বায়বদ্ধতা বোধ সৃষ্টি হয়, সকলের মধ্যে আত্মনির্ভরশীলতা অর্জনের প্রত্যাশা জাগ্রত হয় এবং তারা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়। যার ভিত্তি

স্যানিটেশন বিষয়ক সচেনতা

তে নানামুখী কার্যক্রম গৃহীত হয় এবং পরিচালিত হয়। যেমন: যুব সংসদ,সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রচারাভিযান, গণিত উৎসব, পাঠাগার গঠন, পরিবেশ উন্নয়ন, বৃক্ষরোপণ,বিজ্ঞান ক্লাব, ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব, শতভাগ স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণ, নিরক্ষরতা ও আর্সেনিক দূরীকরণ, স্বাস্থ্য সচেতনতামূলক কার্যক্রম, নারী নির্যাতন তথা উত্যক্তকরণ, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও মাদক প্রতিরোধসহ ইত্যাদি।
এছাড়াও ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য বিভিন্ন সৃজনশীল বিষয়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন, নারীদের প্রতি বৈষম্য অবসান ও বাল্যকাল থেকে তাদের প্রতি যত্ন নেয়া ও বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে কর্মসূচি গ্রহণ ও কন্যাশিশু দিবস উদযাপন, নিরক্ষরতা দূরীকরণে কর্মসূচী গ্রহণ

এবং আত্মকর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগ ইত্যাদি । এভাবেই দি হাঙ্গার প্রজেক্ট কর্তৃক পরিচালিত গণকেন্দ্রিক উন্নয়নরচেষ্টার অংশ হিসেবে ইয়ূথ এন্ডিং হাঙ্গার সাংগঠনিক কাঠামোয় দেশব্যাপী কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ প্রক্রিয়াকে বেগবান করতে সারা দেশে পাঁচ শতাধিক ইউনিট গঠিত হয়েছে। এ সকল ইউনিট বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, কলেজ, স্কুল, ক্লাব,এলাকা এবং ইউনিয়নভিত্তিক। প্রতি ইউনিটে সদস্য সংখ্যা ন্যূনতম ১১ থেকে ৪০জন।

 

Advertisements

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s